Saturday, May 28, 2016

মরিচিকা

মিছে শুধুই তিক্ত রক্ত ক্ষরন
যাচ্ছে চলে যাক না যে ভাবে
আরতো মাত্র কয়েকটা দিন
চলুক যে তার মত সে ভাবে

পুড়ে পুড়ে হয় না সোনা
কয়লা শেষ হয় ছাইয়ে
কষ্ট তুমি একাই পাবে
জ্বলবে শুধু তপ্ত আঁচে

যুঝবে তুমি তোমার সনে
অহর নীশি তোমার মনে
আগল তুমি বন্ধ রেখে
নষ্ট হবে তোমার রোখে

কাকে খোঁজ কার মাঝে
কি খোঁজ সকাল সাঁঝে
কি দিয়ে কাকে বোঝাও
কেউতো হারায় নি কোথাও

অনেকেই চেয়েছে হারাতে
আজও কেউ বসে মায়াতে
হারিয়েছ তুমি শুধু মরিচিকায়
কখনো ভেবেছ সে কি চায়

Sunday, May 22, 2016

কি খুজ

মেঘাচ্ছন্ন আকাশ একচিলতে রৌদুর
এলোমেলো বাদল হটাৎ বাতাশ মন্থর
ঝকমকে রোদের ভিতর ছোট্ট কুয়াশা
ফিকে হওয়া সম্পর্ক আলতো ছোঁয়া

কি চাও তুমি পেতে খুজে
তোমার না আমার মাঝে
ফিরতে তুমি পারবে কি
যে দিন গেছে অবহেলে

দিয়েছ ঠেলে দুঃখ রাগ অসম্মানে
দেখেছো কি ভুল ছিল কোনখানে
অন্ধ তুমি কেন ছিলে কোন জনে
পেয়েছ কি সুখ খুজে সেই জনে

শিশির ভেজা হাওয়া যে নয় একা
কাটছে নিয়ে অশ্রু মাখা অপেক্ষা
রং দেখে দিন যে গেছে অবহেলে
ফিরবে কি যে দিন গেছে অতলে

Saturday, April 30, 2016

দেয়ালে লেখার প্রাণ

বৃত্তের বাইরে বেরোতে পারি না
তবু তাকে চেনার চেষ্টা করি
তার ভিতরে ঘুরপাক খাই
ঘুরতে ঘুরতে বারবার
দেয়ালগুলোতে ধাক্কা লাগে
ঠান্ডা, নিষ্প্রাণ, বিশাল, স্যাঁতস্যাঁতে
ইট-পাথরের দেয়ালগুলো
আর দুরের মনে হয় না
কবে যেন সেগুলো শেকড়
গড়ে নিয়েছে সত্বার গভীরে
সেখানে মনের চেনা-অচেনা
অস্পষ্ট অনুভুতিগুলো
খোদাই করি অসংলগ্ন ভাবে
অতিত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ
মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়
সব বিশ্বাস, অবিশ্বাস, ঘৃণা
ভালবাসা, ভয় - একে একে
জায়গা করে নেয় দেয়ালে.....

Saturday, April 16, 2016

ভূমির মারামারি

ভূপৃষ্ঠের বিধ্বংসী প্রলয়ের পেছনে টেকটনিক প্লেটের অবস্থান পরিবর্তন জড়িত বলেই মনে করেন ভূবিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, আজ থেকে ১১০ কোটি বছর পূর্বে পৃথিবীতে একটিমাত্র মহাদেশ ছিল যার নাম রোডিনিয়া। ৭৫ কোটি বছর পূর্বে এটি ভেঙে যায় এবং কিছু অংশ দক্ষিণ গোলার্ধে চলে আসে। মহাদেশগুলো টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত যারা চলমান। এই গতিই রোডিনিয়ার ভগ্নাংশগুলোকে আবার একত্রিত করে প্রায় ৩০ কোটি বছর পূর্বে গঠন করেছিল প্যানজিয়া। তবে এটি পুরোপুরি গঠিত হয় আনুমানিক ২৭ কোটি বছর পূর্বে। ২০ কোটি বছর পূর্বে অবশ্য প্যানজিয়া ভেঙে উত্তরে লাউরেশিয়া ও দক্ষিণে গন্ডোয়ানা নামের দু’টি মহাদেশ গঠিত হয়।

১৮ কোটি বছর পূর্বে জুরাসিক যুগের শুরুর দিকেই গন্ডোয়ানার পূর্বাংশ আলাদা হয়ে যায়, যার অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান মাদাগাস্কার, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টার্কটিকা। ১৩ কোটি বছর আগে পশ্চিম গন্ডোয়ানাও আবার দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়- পূর্বের অংশটি হয় আফ্রিকা আর পশ্চিমেরটি দক্ষিণ আমেরিকা। এরপর ৯ কোটি বছর পূর্বে মাদাগাস্কার থেকে সরে আসে ভারতীয় ভূখণ্ড। মাদাগাস্কারের বন্ধন থেকে মুক্তি পেয়ে ভারত নির্বিঘ্নে এশিয়ার দিকে এগোতে শুরু করে। এরপর ইউরেশিয়ান প্লেটে এসে সজোরে ধাক্কা মারে ভারতীয় উপমহাদেশ। তার কারণেই আমূল পরিবর্তন ঘটে এ অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক চরিত্রে। যাতে সৃষ্টি হয় হিমালয় পর্বত।

যদিও এ তত্ত্ব নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। তবে বিতর্ক যাই হোক না কেন ভূবিজ্ঞানীরা আবারো বলছেন, ক্রমাগত প্লেটের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্প অবধারিত। যা আঘাত হানতে পারে নেপাল, ভারত, বাংলাদেশে।

বিজ্ঞানীদের মতে, ভারতীয় ভূখণ্ড প্রতিনিয়তই ইউরেশিয়ান প্লেটকে ধাক্কা মারছে। যার ফলেই কিছুদিন পর পর কেঁপে উঠছে নেপাল, বাংলাদেশ, উত্তর ভারত এবং আশপাশের অঞ্চল।

নেদারল্যান্ডসের উৎরেখত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডাউয়ে জে জে ভ্যান হিন্সবার্গেন বলেন, ‘মানুষের আঙুলের নখ যে হারে বাড়ে সেভাবেই এখনো ইউরেশিয়ান প্লেটের মধ্যে সেই গতিতে প্রবেশ করছে ভারতীয় ভূখণ্ড। তবে সেটি সাধারণ মানুষের বোঝা সম্ভব নয়।’ যদিও বিষয়টি নিয়ে ভূ-বিজ্ঞানীরা বিশেষ চিন্তিত হলেও, কি কারণে এটি হচ্ছে তার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কেউ।

ভূবিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ভারতীয় ভূখণ্ড প্রতিনিয়তই ইউরেশিয়ান প্লেটকে ধাক্কা মারছে, তাতে ভবিষ্যতে আরো বেশি ক্ষয়ক্ষতি হতে চলেছে এ এলাকায়।

Thursday, April 07, 2016

কৌতুক ১

বিবাহিতা মহিলাদের সেমিনার চলছে.....!!!

তাদেরকে বলা হল, "আপনারা সবাই আপনাদের স্বামীদের মোবাইলে I Love You মেসেজ করবেন এখনি। যার সবচেয়ে ভালো রিপ্লাই আসবে তাকে সারপ্রাইজড গিফট দেয়া হবে।

সবাই তাদের স্বামীদের I Love You মেসেজ করল।
কিছুক্ষণ পর তাদের মোবাইলে এই রকম রিপ্লাই আসলোঃ

১. ডার্লিং তোমার শরীর ঠিক আছেতো..?

২. বাড়িতে টাকা শেষ হয়ে গেছে..?

৩. তুমিকি তোমার বাপের বাড়ি গিয়েছো..?

৪. আজকেকি বাড়িতে খাবার বানাও নি..?

৫. তোমার মতলবটা কি..?

৬. তুমি স্বপ্নের মধ্যে আছো, না আমি স্বপ্ন দেখছি..?

৭.পার্টিতে কারো জুয়েলারি পছন্দ হয়েছে..?

৮. অফিসে বহুত টেনশনে আছি আর তুমি কি শুরু করলে..?

৯. আজকেও আবার গাড়ি কিছুর সাথে লাগিয়েছো..?

১০. কত্তবার তোমাকে বলছি যে সিরিয়াল দেখো না..?

যিনি সারপ্রাইজড গিফট পেলেন তার রিপ্লাইটা ছিল,
.
.
.

১১. এই !! কে রে তুই !!

Saturday, April 02, 2016

যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে

কথা : মুকুল দত্ত
সুর : হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
শিল্পী : হেমন্ত ও লতা

যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে
কেনো বলো কাদালে আমায়
আমার এ মন বুঝি মন নয়।।।
যাবার বেলায়...................

হাসি আর গানে গানে এতোদিন
ফুল ফোটানোর খেলা চলেছিলো
যে কাটা রয়েছে বিধে মরমের মাঝে
তার কথা মন ভুলেছিলো,
ব্যাথায় ব্যাথায় তাকে মনে পরে যায়
যাবার বেলায়.......

সৃতির আকাশ থেকে কনোদিন
হয়তো আমায় তুমি মুছে দেবে
স্বপ্নের রংয়ে যত ছবি আকা হলো
চোখের জলেতে ভেসে যাবে,
যা কিছু গিয়েছে পাওয়া সে আমার নয়।
যাবার বেলায়........

Tuesday, March 29, 2016

আমার দীঘি

তুমি কি জান দীঘি কেমন
আমি জানি তুমি জাননা
দীঘির প্রতিবিম্ব দেখতে
মেঘ মুক্ত আকাশ লাগে

আমিত আকাশ নই
ঘন কাল বিজলী ভরা
শীলা সহ বাদল আমি
শুধু ভাসিয়ে দিতে পারি

দীঘি তারপরও অবিচল
শুধু অথই স্তব্দ জল
তুমি কি জান দীঘি কেমন
তুমি কখনো দেখনি তাকে

আমি জানি দীঘির নিস্তব্ধতা
কেউ কি জানে তার গভীরতা
কি কোথায় আছে সযতনে
কার কি কখন প্রয়োজনে

আমি দেখি দীঘিকে
বলতে পারো প্রতিদিন
অপলক চেয়ে থাকি
দীঘি তুমি কি ভাবে পারো

Sunday, March 27, 2016

ভালবাসি কথাটা হয়নি বলা

ভালোবাসা মানে কি কেবল স্ত্রীকে রাশি রাশি উপহার দেয়া, দামী রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া কিংবা এখানে-সেখানে ঘোরা প্রতিদিন? একদম কিন্তু নয়! এসব দিয়ে কিছু মেয়েকে খুশি করা যায় বটে, কিন্তু বেশিরভাগ মেয়েই খুশি হয়ে থাকেন একদম সাধারণ কিছু ভালোবাসায়। হয়তো আপনার কাছে সেটা খুবই আনরোমান্টিক বা মূল্যহীন, কিন্তু মেয়েদের কাছে বিষয়টির মূল্য অনেক বেশি।

জেনে নিন এমন কিছু কাজ সম্পর্কে, যেগুলো করার মাধ্যমে খুব সহজেই জিতে নিতে পারবেন আপনি পছন্দের মেয়েটির মন। এবং সহজে আর অন্য কোন পুরুষ স্থান করে নিতে পারবে না সেই মনে। আর হ্যাঁ, আপনাদের ভালোবাসা হয়ে উঠবে অনেক বেশি মজবুত ও সুন্দর।

চুম্বনটি হোক ভীষণ আন্তরিক :-
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন, চুমু তো আন্তরিকই হয়! চুমু খাওয়ার সময় তাঁর সুন্দর মুখটি নিজের দুহাতে কোমল করে ধরুন। আর অনেকটা সময় নরম করে তাকিয়ে থাকুন। দেখবেন, এই সামান্য জিনিসটি তিনি কি পছন্দই না করছেন। একটু লজ্জা পাচ্ছেন, আবার একটু খুশিও হচ্ছেন। নারীদের কাছে এই বিষয়টি খুব রোমান্টিক।

মাঝে মাঝেই তাঁর মাথায় হাত রাখুন :-
ভালোবাসা মানে শুধু তীব্র প্রেম আর দৈহিক আকর্ষণ নয়। একদম সাধারণ একটি স্পর্শও প্রকাশ করতে পারে গভীর ভালোবাসা। তাঁর মাথায় হাত রাখুন, কখনো চুলের মাঝে হাত বুলিয়ে দিন, মুখে চুল এসে পড়লে আলতো করে সরিয়ে দিন। আপনার এই ভালোবাসার ছোট্ট আচরণ তাঁর মনে তৈরি করে নেবে বিশাল একটি জায়গা।

তাঁকেও সুযোগ দিন আরাম করার :-
আপনার স্ত্রী নিশ্চয়ই সারাদিন কাজ করেন বাসায়? আর কর্মজীবী হয়ে থাকলে তো বাসা-অফিস মিলিয়ে তাঁর অবস্থা নিশ্চয়ই কাহিল! বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত। চেষ্টা করুন এটা-সেটায় তাঁকে একটু সাহায্য করতে। নিজে রাঁধতে না পারেন, মাঝে মাঝে ডিনারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে না হয় বাইরে থেকেই খাবার কিনে আনুন। এই একটুখানি আদরে আপনি তাঁর কাছে পাবেন আন্তরিক সম্মান।

দুজনে বাইরে যাচ্ছেন - কি করবেন :-
হয়তো স্ত্রী খুব সেজেগুজে বের হয়েছেন আপনা সাথে বেড়াতে যাবেন বলে। হয়তো সাধারণত রিকশা বা বাসেই চলাচল করেন আপনারা। আজ নিয়ম ভেঙে একটি সিএনজি বা ট্যাক্সি ভাড়া করে ফেলুন। একটুখানি আরামে দুজনে পাশাপাশি উপভোগ করুন খানিকটা সময়। একটা দিন নাহয় তাঁকে বাস বা রিকশার যন্ত্রণা থেকে বাঁচিয়ে দিলেন।

ভিড়ের মাঝে আগলে রাখুন :-
প্রচণ্ড ভিড় হয়তো বাসে কিংবা মার্কেটে। হয়তো কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন বা সিনেমায় গেছেন, সেখানেও। এই ভিড়ের মাঝে ভালোবাসার নারীকে অবশ্যই একটু আগলে রাখুন। চেষ্টা করুন তাঁকে ঠেলাঠেলি থেকে রক্ষা করতে, হাতটা শক্ত করে ধরে রাখুন। কে কী ভাবল সেসব নিয়ে চিন্তা করবেন না। সে যেন বোঝে যে জীবনের সকল পরিস্থিতিতে আপনি তাঁর পাশেই আছেন।

সবসময় তাঁকে সুন্দর, পরিপাটি থাকার জন্য চাপ দেবেন না :-
হ্যাঁ, তিনিও মানুষ। সবসময় সুন্দর পোশাক পরে পরিপাটি থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। সবসময়ে একজন মানুষকে দেখতে ভালো দেখানো এক কথায় অসম্ভব। তিনি যখন নিজের সবচাইতে খারাপ পোশাকটি পরে আছেন, কিংবা যেদিন তাঁকে দেখতে সবচাইতে বাজে লাগছে, কিংব সাজসজ্জা বিহীন ঘুরতে বেরিয়েছেন- তখনও তাঁকে সুন্দর বলুন। মিথ্যা করে হলেও বলুন। এই ছোট্ট মিথ্যাই তাঁকে নিয়ে আসবে আপনার খুব কাছাকাছি।

ছোট্ট আদুরে জেদ করুন :-
এর অর্থ তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করা। কী রকম? যেমন ধরুন তাঁর চোখের কাজল আপনার খুব ভালো লাগে, কিংবা কপালের টিপটা। আদর করে জানিয়ে দিন- "তুমি কিন্তু টিপ না পরে বাইরে মোটেও যাবে না!" এই সামান্য ব্যাপারে তিনি যে কতটা খুশি হবেন আপনার ধারণাও নেই। জীবন একটাই। ভালো থাকুন, ভালো বাসুন।

ভুলবেন না ছোট্ট উপহার :-
তাঁকে অনেক কিছু কিনে দেয়ার সামর্থ্য নিশ্চয়ই আপনার আছে। কিন্তু সেসবের ভিড়ে ছোট্ট কিন্তু প্রিয় উপহার গুলোর কথা ভুলে যাবেন না। একটু ফুল, প্রিয় চকলেট, একটা গান, এক গুচ্ছ চুড়ি কিংবা এক পাতা টিপ- এসবের মাঝে যে রোমান্টিকতা আছে সেসব আসলে আর কিছুর মাঝে নেই।

Friday, March 25, 2016

যে চার বস্তু খুব দরকার

ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) এর অমূল্য বাণী:-

চার বস্তু শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
১. গোশত খাওয়া।
২.সুগন্ধির ঘ্রাণ নেওয়া।
৩. অধিক গোসল।
৪. সুতার কাপড় পরিধান করা।
.
চার বস্তু দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে
১. খানায়ে কা'বার সামনে বসা।
২. ঘুমানোর পূর্বে সুরমা ব্যবহার করা।
৩. সবুজ প্রকৃতি দেখা।
৪. পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় বসা।
.
চার বস্তু বিবেক বৃদ্ধি করে
১. অনর্থক কথা-বার্তা ত্যাগ করা।
২. দাত পরিস্কার রাখা।
৩. নেককারদের মজলিশে বসা।
৪. উলামাদের শংস্পর্শ অবলম্ভন করা।
.
চার বস্তু রিযিক বৃদ্ধি করে
১. নিয়মিত তাহাজ্জুদ।
২. অধিক পরিমাণ এস্তেগফার।
৩. অধিক পরিমাণ সদকা।
৪. অধিক পরিমাণ যিকির।