যখন আমি তোমার
পানে চেয়ে থাকি
তখন মনে হয় আমি
পলকহীন হয়ে যাই
হে দুর বহু দুরের তারা
আপন দূতিকায় সমুজ্জ্বল
আমি জানি তুমি
হয়ত আজ কালের সাক্ষী
সেই শত সহস্র বছরের
ভরা যৌবনের আলো
এখন আমার চোখে
তুমি যেখানেই থাক
আমার কাছে দ্বীপ্তিময়
Some people will think like you. Some people will never think like you. This is life. We are not same. This is reality. অনেকজন পাবেন যারা আপনার মত ভাবেন। আবার অনেকজন আপনার মত ভাবেন না। এটাই জীবন। আমরা কেউ এক রকম নই। এটাই বাস্তবতা।
Tuesday, April 03, 2018
তারা
Sunday, January 14, 2018
কি চাও
ভালবাসার যত গুলো ফুল তোমার
মুঠোয় দিতে পারব তত গুলো ফুল
আজ পর্যন্ত এই ধরাধামে ফোটেনি
তবুও কি তুমি অভিমান ধরে রাখবে
প্রহরের অশ্রুত অপেক্ষায় দোলাবে
আমিতো মানুষ হতে চেয়েছিলাম শুধু
দু'দন্ড ভালবাসব শুধুই তোমাকে
কেন অপলকে চেয়ে থাক অমন করে
কেন বারবার কষ্ট দাও কথা না বলে
আমি মেঘ হয়ে ছায়া দেইনি বলে
না কি পাহাড় হয়ে বাধা দেইনি তাই
আমিতো আকাশ হতে চাইনা শুধু
মানুষ হতে চেয়েছি তোমার জন্য
শুধুই দন্ড ভালবাসা পাবার আশায়
Saturday, November 04, 2017
সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (হাতে সময় থাকলে দুজনেই পড়ুন)
এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ?
উত্তরে জানায় ,
নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে ।
আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু ।
এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে,
চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।
সুত্রঃ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ,
পিজি হাঁসপাতালের গাইনি বিভাগের
অধ্যাপক।
তথ্যঃ Independent Tv
Thursday, November 02, 2017
অব্যক্ততা
বলার ছিল কিছু বলা যাবে না
বুকের ভিতর ডুকরে ডুকরে
আটকে আছে দলা পাকিয়ে
গলার কাছে খাচ্ছে কুরেকুরে
অনেক কিছু দেখানোর ছিল
সময়ের অভাব দেখানো যাবে না
চালচিত্র ছবিগুলো ঝাপসা হয়
কি ছিল তা আর বোঝা যাবে না
বোঝাতে চেয়েছি কিছু অব্যক্ততা
বোঝাতে পারিনা যা আছে মনে
সময় বয়ে যায় আপনারে লয়ে
যুঝতে যুঝতে কাটে সুর লয় তানে
অন্তন সময় নিয়ে আসিনি আমি
তবু কেন কিসের দ্বিধা সংশয় মনে
পার হয়ে যায় সময়ের প্রবল স্রোত
অসহায় লাগে বড় ক্লান্ত আজ রনে
Monday, October 02, 2017
নুইয়ে আছি মাত্র
নুইয়ে আছি মাত্র-
ভেবনা কুর্ণিশ করছি তোমায়;
তোমার এই সটান দাঁড়িয়ে থাকা'ই
আমায় নুইয়ে রাখে আজীবন।
সময়ের ডাক শুনেছি আবার
এবার দাঁড়াবো নিশ্চয়'ই।
কালের গর্ভে জন্ম আমার-
শতাব্দীর তাপে পিঠ পোড়াতেই
আমার এই নুইয়ে থাকা।
মাটির বুক চিঁড়ে দৌড়ে দাপড়ে
থাপড়ে থাপড়ে রস নিংড়াই,
লাংগলের ফলায় ফলানো ফসলে
তুমি'ই দাঁড়িয়ে থাকো সর্বদায়।
আগামীতে বহমান আমি-
যুগান্তরের ভার বহিবার তরেই
আমার এই নুইয়ে থাকা।
আমার ঘামের বিন্দুকে সিন্ধু করে
বিলিয়েছি; আগামী প্রজন্মে তায়,
সিকিতে দম্ভের বোঝা বহমান পথে
তুমি'ই দাঁড়িয়ে থাকো সর্বদায়।
ইতিহাসের স্বাক্ষী আমি-
প্রতিবাদের হাতিয়ার উঠাতেই
আমার এই নুইয়ে থাকা।
আমার মায়ের লাল সবুজের শাড়ি
দলিত মথিত ঐ নর গণিকার পায়,
প্রতিবাদের মিছিলে মৃতদেহের স্তুপে
তুমি'ই দাঁড়িয়ে থাকো সর্বদায়;
নুইয়ে আছি মাত্র-
ভেবনা কুর্ণিশ করছি তোমায়;
তোমার এই সটান দাঁড়িয়ে থাকা'ই
আমায় নুইয়ে রাখে আজীবন।
সময়ের ডাক শুনেছি আবার
এবার দাঁড়াবো নিশ্চয়'ই।
Sunday, September 10, 2017
তুর্কী নাচন
মুসলিম নাম আর মাথায় হিজাব দেখেই যারা তুরস্ককে আন্ডারএস্টিমেট করছে, মনে করছে তুর্কি নাটক করার চেষ্টা করছে, তারা স্রেফ মাথামোটা অজ্ঞ মানুষ। তুরস্ক সম্পর্কে অজ্ঞ এবং বায়াসড।
মুসলিম নাম আর মাথায় হিজাব নিয়ে এই তুরস্ক দুনিয়ার নানা প্রান্তে মুসলিম রিলেটেড ইস্যুতেই উপস্থিত থাকে। এই কাজে ওরা এক্সপার্ট। এই কাজ করেই ওরা টানা ৫০০ বছর বিশ্ব শাসন করেছে।
তুর্কিরা কি করেছে? ইতিহাস বাদ দেই। ১৯৭০'র পর থেকে তুর্কি কি করেছে তা সংক্ষেপে বলি।
৭০'র দশকে সাইপ্রাসে মুসলিমরা দীর্ঘদিন থেকে নির্যাতিত হচ্ছিল, তুর্কি এদিক সেদিক বিচারের জন্য দৌড়াদৌড়ি করেছিল। কিন্তু গ্রীসের প্রত্যক্ষ সমর্থনে এবং ইউরোপ আমেরিকার মৌন সমর্থনে সাইপ্রাস তার কাজ করে যাচ্ছিল। তারপর একদিন সকালবেলাতেই ৪০ হাজার তুর্কি সৈন্য প্যারাসুট নিয়ে সাইপ্রাসে নামে এবং ৪০% ভূমি দখলে নিয়ে সেখানে উত্তর সাইপ্রাস প্রতিষ্ঠা করে দেয়। ইয়োরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হয়েও সাইপ্রাস ঐ এলাকা ফিরে পায় নাই। ওখানে এখন তুর্কি পতাকার আদলে উত্তর সাইপ্রাসের পতাকা উড়ে।
৯০'র দশকে বসনিয়া হার্জেগোভিনার মুসলিমদের যখন কসাই স্টাইলে হত্যা করা হচ্ছিল তখন এই তুরস্কই দৌড়ঝাঁপ আরম্ভ করে এবং কিছুদিন পর কসোভোর মুসলিমদের জন্যও একই কাজ করে। আজকে বসনিয়া এবং কসোভো দুইটাই স্বাধীন রাষ্ট্র। চেচনিয়ার স্বাধীনতার জন্যও সবচেয়ে বেশী দৌড়ঝাঁপ করে তুরস্ক। চেচনিয়া সেই যাত্রায় স্বাধীনও হয়েছিল।
সারা বিশ্বে এমনকি বাংলাদেশের কাছেও জাস্ট দারিদ্র্যতার উপমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল মুসলিম দেশ সোমালিয়া। এই তুরস্কই একক উদ্যোগে সোমালিয়ার পাশে যেয়ে দাঁড়িয়েছে ঐ মুসলিম পরিচয়ের টানে।
একাডেমিক পড়াশোনা করে বিশ্বরাজনীতি সম্পর্কে কিছু শেখার সামর্থ্য বা ইচ্ছা যদি নাও থাকে তবে পত্রিকা পড়ুন। দেখবেন যে বিশ্বে যখনই কোন অতি এনারজেটিক তৎপরতা অথবা অসাধারন নৈপুণ্য প্রদর্শিত হয়, বিশ্বগণমাধ্যম আজও তার উপমা দিতে যেয়ে বলে, Young Turks, বাংলায় লেখে তুর্কি নাচন!
তাই আশাকরি, #বাংলাদেশ সরকারে কিছু লোক আছে যারা রোহিঙ্গা নিয়ে তুর্কিদের নাচানাচি দেখে, শুধু মুসলিম পরিচয়ের কারণেই ওদের আন্ডারএস্টিমেট করবে না। তুর্কিদের ইতিহাস, ফরেন পলিসি নিয়ে পড়াশোনা করবে এবং মনে রাখবে যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ওদের এক্টিভিটি তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এদের ডিসিশনের ফলে সিচুয়েশনে বড় রকমেরই ইমপ্যাক্ট হয়। এখন যেহেতু ওরা বাংলাদেশের আশেপাশে এসেছে তাই বাংলাদেশের উচিৎ হবে ম্যাচিওরিটির সাথে ওদের ডিল করা।
Tuesday, August 29, 2017
২৫ টি প্রশ্ন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উত্তর !!
১.প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর,ধনী হয়ে যাবে।
২.প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম
(ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন,তাক্বওয়া অবলম্বন কর (আল্লাহ্ ভীরুতা) আলেম হয়ে যাবে।
৩.প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর,সম্মানী হয়ে যাবে।
৪.প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন,মানুষের উপকার কর।
৫.প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন,যা নিজের জন্য পছন্দ কর, তা অন্যের
জন্যেও পছন্দ কর৷
৬.প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন,আল্লাহর উপর ভরসা কর।
৭.প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ
মর্যাদার অধিকরী হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন,বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ জিকির) কর।
৮.প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।
৯.প্রশ্নঃ সমস্ত দোয়া কবুলের
আশা করি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।
১০.প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷
১১.প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর
সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার
সাথে সাথে গোসল করে নাও।
১২.প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর
নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।
১৩.প্রশ্নঃ কেয়ামত
দিবসে আলোতে থাকতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।
১৪.প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-
অনুগ্রহ কর।
১৫.প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।
১৬.প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন, জিনা (ব্যাভিচার ইত্যাদি...) থেকে বেঁচে থাকো।
১৭.প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রিয়
হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের
জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।
১৮.প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায়
কর।
১৯.প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদন কারী হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন
তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।
২০.প্রশ্নঃ ইয়া ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়
গ) অসুস্থতা।
২১.প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের
ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।
২২.প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর
ক্রোধ ঠান্ডা করবে ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ
করলেন, ....গোপন দান এবং ...আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।
২৩.প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ
করলেন, ...দুশ্চরিত্র এবং ...কৃপণতা।
২৪.প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ
করলেন,সৎ চরিত্র,বিনয়, এবং ধৈর্য্য ।
২৫.প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি ?
উঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত
হওয়া পরিহার কর। আল্লাহ্
তা'য়ালা আমাকে এবং সবাইকে আমল
করার তৌফিক দান করুন ।
আমীন।
Monday, August 21, 2017
অবহেলা
বার বার টোকা দেবে আবেগে
ইচ্ছে হলে খুলে দিব সীমান্ত,
না হলে দাঁড়িয়ে রবে
অন্ধকার ঘেঁষে,
মেপে দেখবে একাকীত্বের গভীরতা।
ইচ্ছে হলে নক্ষত্র ফোঁটাবো করতলে
সহস্র শতদল হবে সাধনের সেবাদাস।
হরপ্পার টেরাকোটায় সাজানো হবে
সব অলিগলি,আদিম অভিলাষ।
ভাদ্রের পহেলা লালদিন হবে
এক বিনীত প্রণয় প্রহর।
বার বার ডাকবে,
ইচ্ছে হলে ফিরবো
না হলে মিলিটারির মত সড়কে পাহারা দেবে
শাশ্বত সম্পদ।
বারবার বলবে 'ভালবাসি, ভালবাসি'
ইচ্ছে হলে শুনবো
না হলে ভেসে যাবে
অবহেলার কোমল প্রলয়ে
সভ্যতার শিকার হবে জানি
খরগোশের ভীরুতায় পালাবে না তবু
মিটবে না আড়াল খোঁজার সাধ।
Thursday, August 17, 2017
নিঃসঙ্গতা
সাড়া দেওয়ার নজরানা
বড্ড বেশী দামী হয়ে গেছে,
হঠাৎ করেই,
থেমে গেছে আকুতির ঝড়।
ক্লোরোফিলের অভাবে
বিবর্ণ জীবন,
থেমে গেছে সংশ্লেষণ।
থেমে গেছে কোলাহলপূর্ণ
এক বন্দরের কাজ,
সুখের বিবরে আমদানি রপ্তানি
তলিয়ে যেত যার।
কাঁচা পাকা রোদে
ভাঙেনা আর স্বপ্নের সকাল,
উপুড় হয়ে পড়ে আছে
মাধবী বিকেল।
জীবনের বারোবেলা
ঝলসে গেছে
মসৃণ উদাসীনতায়।
চাঁদের প্রান্তর ঘেঁষে
হাঁটা হয়নি জোৎস্নার অন্ধকারে,
হয়নি দেখা বর্ধিঞ্চু
অন্তরের প্রশ্রয়।
এখন শুধু নিজের ভিতরে
নিজের ঘোরা ফেরা
নিঃসঙ্গতাকে নিয়ে বসত করা।