আমি ভালবাসি তোমায়
খু্ব গোপনে সন্তর্পণে
আমি দেখি তোমায়
অপলক অতৃপ্তি নয়নে
আমি হাত ধরি তোমার
বুঝে নেই শিরা উপশিরা
গালটাকে আলতো ছুয়ে
করি আরো রক্তিম ধারা
আমি কোমরে স্পর্শ করি
তুমি কি বুঝে নেও বন্ধন
যখন আমায় ছুয়ে দাও
বাঁধা মানে না হৃদ স্পন্দন
Some people will think like you. Some people will never think like you. This is life. We are not same. This is reality. অনেকজন পাবেন যারা আপনার মত ভাবেন। আবার অনেকজন আপনার মত ভাবেন না। এটাই জীবন। আমরা কেউ এক রকম নই। এটাই বাস্তবতা।
আমি ভালবাসি তোমায়
খু্ব গোপনে সন্তর্পণে
আমি দেখি তোমায়
অপলক অতৃপ্তি নয়নে
আমি হাত ধরি তোমার
বুঝে নেই শিরা উপশিরা
গালটাকে আলতো ছুয়ে
করি আরো রক্তিম ধারা
আমি কোমরে স্পর্শ করি
তুমি কি বুঝে নেও বন্ধন
যখন আমায় ছুয়ে দাও
বাঁধা মানে না হৃদ স্পন্দন
জানতে না দেওয়া ব্যাথা
ভুলে যাওয়া ভুলে থাকা
মনের অনলে পুড়ে পুড়ে
আর্তিটুকু গোপন রাখা
কতটুকু পুড়লে থাকবেনা ছাই
বাস্প হয়ে উবে যাবে বাতাসে
খুজে পাওয়া যাবে না কখনো
মিলিয়ে যাবে হয়তো নিশ্বাসে
এখানেই শেষ নয় চিরতরে
শুধু হাহাকার থেকে যাবে
অতৃপ্তি নিয়ে জীবনের তরে
ফিসফিস করে চুপে নিরবে
নিমগ্ন হয়ে যদি দেখ রাতে
খসে পড়া তারাদের ভিড়ে
শোনা যাবে যদি কান পাত
তোমারই মনের অতৃপ্ত নীড়ে
মরেছ তুমি ডুবেছ তুমি
মরমে মরমে জ্বলেপুড়ে
না দেখা যায় সে আগুন
সব কিছু ছাই করে ছাড়ে
উথালী পাথালি করে সদা মন
কেন দেখা দেয় না সেই জন
যে টুকু দেখা ভরে না দু নয়ন
দিবানিশি প্রেমে মজেছে মন
ইতিউতি করে মন সারাক্ষণ
কখন পরশে দরশে উচাটন
অপেক্ষা প্রহর হয় না যাপন
অদেখায় বড় ছটফট তনুমন
অতুষ্ট হয়ে রয় যাপিত জীবন
প্রেম মোহে আলিঙ্গনে সমন
জানিনা হবে কবে সে মিলন
না কি রয়ে যাবে অতৃপ্ত মন
দোল দে দোল মন দোল
মন কি পায় নিজে দোল
নাকি আপন ছন্দে দোল
দোল মনে দে কোন দোল
কত ছন্দে আর কত লয়ে
কত কথা মালা সজতনে
নেচে যায় আপন লহরীতে
দোল দিয়ে যায় অবগুন্ঠনে
মন নিয়ে মন দিয়ে করে খেলা
মনের ভিতরে মন নিয়ে জালা
কি যে পুলকে পুলকিত মন
খেলা করে মনে আপনজন
সময় যে থমকে দাঁড়ায়
ফিরে ফিরে দেখে যায়
দোলা দেয়া মন আপনে
হৃদয় হারিয়ে খুশি মনে
ছায়াহীন নোমাদ আমি
আমি নিশিথ রাতের যাত্রী
দিগন্ত বিস্তৃত পথ আমার
অন্ধকারে ছুটে চলা সান্ত্রী
কতটুকু শুনেছ তুমি
পশুদের আর্তনাদ গোঙানী
ছোপ ছোপ রক্তাক্ত পথ
শুনতে কি পাও পদধ্বনি
শুধু সামনে ছুটে চলা নিরন্তর
কখনও জানতে চেও না গন্তব্য
সঙ্গী হয় ধুসর বুনো নেকড়ে
মুহূর্ত ভুলে মালভূমিতে নিস্তব্ধ
কেন আমাকে বাঁধ সংসারের মায়ায়
খোলা আকাশের নিচে যে নিদ্রা যায়
রক্তে যার গন্তব্য হীন ছুটে চলার নেশা
তাঁকে দিয়ে কি লাভ শরীরের ক্ষেত চষা
তুলে নাও তোমার পাওনা টুকুন
যেভাবে যতটুকু কড়ায় কন্ডায়
আবার কখনও সুযোগ পাবে কিনা
কোন দিন নোমাদের পথ চলায়
মিছে শুধুই তিক্ত রক্ত ক্ষরন
যাচ্ছে চলে যাক না যে ভাবে
আরতো মাত্র কয়েকটা দিন
চলুক যে তার মত সে ভাবে
পুড়ে পুড়ে হয় না সোনা
কয়লা শেষ হয় ছাইয়ে
কষ্ট তুমি একাই পাবে
জ্বলবে শুধু তপ্ত আঁচে
যুঝবে তুমি তোমার সনে
অহর নীশি তোমার মনে
আগল তুমি বন্ধ রেখে
নষ্ট হবে তোমার রোখে
কাকে খোঁজ কার মাঝে
কি খোঁজ সকাল সাঁঝে
কি দিয়ে কাকে বোঝাও
কেউতো হারায় নি কোথাও
অনেকেই চেয়েছে হারাতে
আজও কেউ বসে মায়াতে
হারিয়েছ তুমি শুধু মরিচিকায়
কখনো ভেবেছ সে কি চায়
মেঘাচ্ছন্ন আকাশ একচিলতে রৌদুর
এলোমেলো বাদল হটাৎ বাতাশ মন্থর
ঝকমকে রোদের ভিতর ছোট্ট কুয়াশা
ফিকে হওয়া সম্পর্ক আলতো ছোঁয়া
কি চাও তুমি পেতে খুজে
তোমার না আমার মাঝে
ফিরতে তুমি পারবে কি
যে দিন গেছে অবহেলে
দিয়েছ ঠেলে দুঃখ রাগ অসম্মানে
দেখেছো কি ভুল ছিল কোনখানে
অন্ধ তুমি কেন ছিলে কোন জনে
পেয়েছ কি সুখ খুজে সেই জনে
শিশির ভেজা হাওয়া যে নয় একা
কাটছে নিয়ে অশ্রু মাখা অপেক্ষা
রং দেখে দিন যে গেছে অবহেলে
ফিরবে কি যে দিন গেছে অতলে
বৃত্তের বাইরে বেরোতে পারি না
তবু তাকে চেনার চেষ্টা করি
তার ভিতরে ঘুরপাক খাই
ঘুরতে ঘুরতে বারবার
দেয়ালগুলোতে ধাক্কা লাগে
ঠান্ডা, নিষ্প্রাণ, বিশাল, স্যাঁতস্যাঁতে
ইট-পাথরের দেয়ালগুলো
আর দুরের মনে হয় না
কবে যেন সেগুলো শেকড়
গড়ে নিয়েছে সত্বার গভীরে
সেখানে মনের চেনা-অচেনা
অস্পষ্ট অনুভুতিগুলো
খোদাই করি অসংলগ্ন ভাবে
অতিত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ
মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়
সব বিশ্বাস, অবিশ্বাস, ঘৃণা
ভালবাসা, ভয় - একে একে
জায়গা করে নেয় দেয়ালে.....
ভূপৃষ্ঠের বিধ্বংসী প্রলয়ের পেছনে টেকটনিক প্লেটের অবস্থান পরিবর্তন জড়িত বলেই মনে করেন ভূবিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, আজ থেকে ১১০ কোটি বছর পূর্বে পৃথিবীতে একটিমাত্র মহাদেশ ছিল যার নাম রোডিনিয়া। ৭৫ কোটি বছর পূর্বে এটি ভেঙে যায় এবং কিছু অংশ দক্ষিণ গোলার্ধে চলে আসে। মহাদেশগুলো টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত যারা চলমান। এই গতিই রোডিনিয়ার ভগ্নাংশগুলোকে আবার একত্রিত করে প্রায় ৩০ কোটি বছর পূর্বে গঠন করেছিল প্যানজিয়া। তবে এটি পুরোপুরি গঠিত হয় আনুমানিক ২৭ কোটি বছর পূর্বে। ২০ কোটি বছর পূর্বে অবশ্য প্যানজিয়া ভেঙে উত্তরে লাউরেশিয়া ও দক্ষিণে গন্ডোয়ানা নামের দু’টি মহাদেশ গঠিত হয়।
১৮ কোটি বছর পূর্বে জুরাসিক যুগের শুরুর দিকেই গন্ডোয়ানার পূর্বাংশ আলাদা হয়ে যায়, যার অন্তর্ভুক্ত ছিল বর্তমান মাদাগাস্কার, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টার্কটিকা। ১৩ কোটি বছর আগে পশ্চিম গন্ডোয়ানাও আবার দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়- পূর্বের অংশটি হয় আফ্রিকা আর পশ্চিমেরটি দক্ষিণ আমেরিকা। এরপর ৯ কোটি বছর পূর্বে মাদাগাস্কার থেকে সরে আসে ভারতীয় ভূখণ্ড। মাদাগাস্কারের বন্ধন থেকে মুক্তি পেয়ে ভারত নির্বিঘ্নে এশিয়ার দিকে এগোতে শুরু করে। এরপর ইউরেশিয়ান প্লেটে এসে সজোরে ধাক্কা মারে ভারতীয় উপমহাদেশ। তার কারণেই আমূল পরিবর্তন ঘটে এ অঞ্চলের ভূপ্রাকৃতিক চরিত্রে। যাতে সৃষ্টি হয় হিমালয় পর্বত।
যদিও এ তত্ত্ব নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। তবে বিতর্ক যাই হোক না কেন ভূবিজ্ঞানীরা আবারো বলছেন, ক্রমাগত প্লেটের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে বড় ধরনের ভূমিকম্প অবধারিত। যা আঘাত হানতে পারে নেপাল, ভারত, বাংলাদেশে।
বিজ্ঞানীদের মতে, ভারতীয় ভূখণ্ড প্রতিনিয়তই ইউরেশিয়ান প্লেটকে ধাক্কা মারছে। যার ফলেই কিছুদিন পর পর কেঁপে উঠছে নেপাল, বাংলাদেশ, উত্তর ভারত এবং আশপাশের অঞ্চল।
নেদারল্যান্ডসের উৎরেখত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ডাউয়ে জে জে ভ্যান হিন্সবার্গেন বলেন, ‘মানুষের আঙুলের নখ যে হারে বাড়ে সেভাবেই এখনো ইউরেশিয়ান প্লেটের মধ্যে সেই গতিতে প্রবেশ করছে ভারতীয় ভূখণ্ড। তবে সেটি সাধারণ মানুষের বোঝা সম্ভব নয়।’ যদিও বিষয়টি নিয়ে ভূ-বিজ্ঞানীরা বিশেষ চিন্তিত হলেও, কি কারণে এটি হচ্ছে তার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কেউ।
ভূবিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ভারতীয় ভূখণ্ড প্রতিনিয়তই ইউরেশিয়ান প্লেটকে ধাক্কা মারছে, তাতে ভবিষ্যতে আরো বেশি ক্ষয়ক্ষতি হতে চলেছে এ এলাকায়।