Thursday, May 31, 2018

Experience

Experience কিভাবে লিখবেন আজ তার কথা হবে।

Experience সবচেয়ে জরুরি বিষয় (নতুনদের জন্য নয়) একটা CV তে। কিভাবে লিখবেন? কেমন দেখতে হবে? কি কি থাকবে?

একটা কথা আগেই বলেছি প্রথমে বর্তমান বা সর্বশেষটা লিখবেন এরপর যথাক্রমে তার আগের বা পূর্বের লিখবেন। কোন অতিরিক্ত তথ্য দিয়ে এটাকে ভারি করা যাবে না। যা করেননি তা লিখবেন না। এই অংশ থেকেই মেজর প্রশ্ন করা হয়। এখানে তথ্য সন্নিবেশিত থাকলে প্রশ্ন সহজ হয় এবং কম হয়। এই অংশের উপর নির্ভর করে চাকরি পাবেন কি না। দেখা যাক কি থাকে এখানে।
প্রথমে কোন পদবীতে কাজ করছেন। যদি পদবী ভিন্ন ধরনের হয় তা হলে বন্ধনীর মধ্যে কোন পদবীর সম মর্যাদায় সেটা লিখে দেবেন।
তারপর প্রতিষ্ঠানের নাম, যদি গ্রুপে থাকেন তাহলে সেটাও জানাবেন।
এবার লিখবেন কতদিন কর্মরত আছেন বা ছিলেন।
এখন কিছুটা বর্ননা দিতে হবে। এটাই সবচেয়ে নাজুক বিষয়। এখানে বিন্দুমাত্র ভুল আপনাকে অপরাধী বানিয়ে দেবে। সুতরাং খুব সাবধানে। শুরুতে কম্পানির নাম এরপর কি ধরনের ব্যাবসায়ীক প্রতিষ্ঠান সেটা জানাবেন। কি কি কাজ করে এবং ঐ ব্যাবসায় অবস্থান। এবার লিখবেন আপনার কি দায়ীত্বে আছেন বা ছিলেন। কি কি করতে হত (এটা আপনার জব ডেসক্রিপশন থেকে নেবেন) কমন কাজগুলা খুব সংক্ষপে দেবেন। বিশেষ কাজগুলো হাইলাইট করবেন। কাকে রিপোর্ট করতেন এবং কারা আপনার কাছে রিপোর্ট করতো।

এখন বুঝতে পারছেন কোথায় ভুল করছিলেন।

Monday, May 28, 2018

CV লেখা

বেশ কিছু ইনবক্স পেয়েছি নতুনদের জন্য কিছু জানাতে। তাহলে তাদের চাকরি পেতে সহজ হয়।
নতুনদের জন্য প্রথমেই বুঝতে হবে তারা আসলে কোন শাখায় নিজেকে সঁপে দেবে। অথবা কোন শাখা তার প্রতিভা প্রমানে কাজে দেবে। অনেককে দেখেছি পড়াশুনা এক বিষয়ে আর কাজ করে ভিন্ন বিষয়ে। যে বিষয়ে পড়াশুনা সেই বিষয়ে কাজ করলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। চাকরি পেতে প্রথমে কার্যকরী একটা CV দরকার। তাই আজ নতুনরা কি কি তথ্য CV তে দেবেন সেটাই জানানোর চেষ্টাঃ

প্রথমে থাকবে
পারসোনাল ইনফর্মেশন বা ডাটা। এখন জানবো কি থাকবে সেখানেঃ
১) নাম Name (যে নামে পরিচিত হবেন সেইটুকু বোল্ড করে দেবেন, তাহলে কথপোকথনে সহজ হয়)
2) বর্তমান ঠিকানা (যেখানে চিঠি যাবে)
৩) স্থায়ী ঠিকানা
৪) কন্টাক্ট নাম্বার (একাধিক দিলে ভাল হয়, তবে প্রথমে দিতে হবে যে নাম্বরটা বেশী ব্যাবহার হয়)
৫) অল্টারনেটিভ নাম্বার (এটা খুব জরুরী, এই নাম্বার প্রমান করে আপনি একাকি নন। শুভাকাঙ্ক্ষী আছে। চেষ্টা করবেন বাবার নাম্বর দিতে)
৬) সুন্দর অর্থবোধক ইমেইল এড্রেস। gmail.com খুব কমন, hotmail বা outlook বা yahoo ভিন্ন মর্যাদায় দেখা হয়।
৭) বৈবাহিক অবস্থা
৮) জন্ম তারিখ: dd-mmm-yyyy (১২ November 2018) ফরমেটে দেবেন যাতে কনফিউশন না হয়।
9) জন্মস্থান ( এটা যারা ইন্টারভিউ নেন তাদের সফট কর্নার হিট করে)
১০) জাতীয় পরিচয়পত্র নং
১১) পাসপোর্ট নং (এটা একটা অতিরিক্ত যোগ্যতা ধরা হয়। মানে ঘরে বসে স্মার্ট ডিভাইসে ব্যাস্ত ছিলনা। বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে দুনিয়া নিয়ে)

শিক্ষা (প্রতিটা পরিস্কার করে জানাতে হবে। যেমনঃ
a) সনদ (degree),
b)শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ও কোথায়,
c) শিক্ষা বছর, পরীক্ষার বছর) শেষেরটা প্রথমে তার পর যথাক্রমে

কাজের অভিজ্ঞতা (যে ধরনেরই হোক, আর কতদিনের। বিশেষ যোগ্যতা চাকরি পেতে সহযোগিতা করে)

প্রশিক্ষণ (পাঠ্যক্রম এর বাইরে নিজেকে কিভাবে তৈরি করেছেন সেটা দেখা হয়)

রেফারেন্স (দুইজন, তাদের নাম, পজিশন, কর্মস্থল, যোগাযোগ নম্বর, ইমেইল, কি ধরনের সম্পর্ক তার সাথে)

সাক্ষর

সুন্দর অফিসিয়াল ছবি CV উপরে ডান কোনায়।

বিঃদ্রঃ বেশি রংচং না করতে

আজ এ পর্যন্ত। আবার সামনে কথা হবে।

Wednesday, April 25, 2018

হাট্টিমা টিম টিম

এত বছর পর্যন্ত জানতাম এই 'হাট্টিমা টিম টিম' ছড়াটা ৪ লাইন। আসলে এটা রোকনুজ্জামান খানের  ৫২ লাইনের অসম্ভব সুন্দর একটি ছড়া।

'টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনলো কিনে
মস্ত একটা ডিম।
বলল এটা ফ্রি পেয়েছে
নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।
সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো
দিচ্ছে ডিমে তা
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা।
উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে
গাঁয়ের যত বাড়ি।
সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে
যখন নামে রাত।
উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে
করে ঘরের কাম
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।
চোখ না থাকায় এ দুর্গতি
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই।
বাসন মেজে সামলে রাখে
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে
কাণ্ড দেখে টাট্টু বারি
নিজের মাথায় মারে।
শিঙের দেখা মিলল ডিমে
মাস খানিকের মাঝে
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে।
গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে
বলল বিচার শেষ
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না
তবেই হবে বেশ।
মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে
গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;
সবাই ভয়ে হিম
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম।
হাট্টিমাটিম টিম-
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমা টিম টিম।'

ভাল থেকো

বলতে চেয়েছিলাম কি
অনেক ভেবে কোন কিছুই
বের করতে পারলাম না
শুধু স্মৃতি হাতড়ানোই সার হোল
ভাল থেকো খুব ভাল থেকো
কোন কিছু বলার দরকার নেই
আমি উত্তর চাইনি কখনও
কিছু বেড়ে বেশি হলে উপচে পড়ে
সেরকমই শুধু দীর্ঘশ্বাস শব্দহীন
স্মৃতি কখনও ঝরে যায় না
শুধুই অবধারিত বোঝা হবে
বেহায়া হয়ত তাই এখনও চাই
ভালই লাগে নিজের বেহায়াপনা
তোমার খারাপ চাইতে আজও কুন্ঠিত
ভাল থেকো খুব খুব ভাল থেকো
ভাল থাকার সংগা কি তুমি নিজেই জাননা
যা করছ তাতে শুখি করতে পারবে না।
মরিচিকার জগতের বাইরে কখনও
সময় পেলে এসে দেখো তোমার
অপেক্ষায় ঠায় দাড়িয়ে আছি
ভাল থেকো খুব খুব খুব ভাল থেকো

Saturday, April 21, 2018

নারী ও পুরুষ জাতির কতিপয় প্রকারভেদ

ক্ষণভেদে নারীজাতি চার প্রকার : পদ্মিনী,চিত্রিণী, শঙ্খিনী ও হস্তিনী ।

পদ্মিনী নারী : গাঢ় নীল উন্মুক্ত আকাশে উজ্জ্বল পুর্ণচন্দ্রকে যেমন সুন্দর ও মোহনীয় দেখায়, তেমনি রমনীয় পদ্মিনী নারী , আয়তলোচন,নারীসুলভ সরলতা ও সজ্জলতা,স্বর মধুর,বচন সুমিষ্ট, ব্যবহার নমনীয়,ধর্মপরায়ণা,মৃদুভাষিণী,সদা হাস্যময়,পতিব্রতা ,নারী জাতির মধ্যে এরাই সর্বোত্তম।

চিত্রিণী : নীলকমলের মত ক্লান্তিময় মুখযুক্ত, সুদীর্ঘ আয়ত নয়ন,সহজেই সাধারণের মন জয় করতে পারে , দৃঢ়চিত্তা, জিতেন্দ্রিয় , সত্যবাদিনী , পতি বাদে অন্য পুরুষের দিকে আকৃষ্ট হয় না , সর্বদা ধার্মিক, এরা উত্তম শ্রেনীর।

শঙ্খিনী : চোখ তেরছা, লোম বড় বড়, পিঙ্গলবর্ণ, চঞ্চলগতি , ধর্মে মত থাকে না , পরপুরুষের প্রতি আসক্ত হয় ,গুরুজনের প্রতি ভক্তি ভাব থাকে না । এরা মধ্যম প্রকৃতির ।

হস্তিনী : স্থুলাঙ্গী , মেদবহুল ,স্বার্থান্বেষী , মুখে নির্লজ্জতা থাকে ,এরা অধিক কৃচ্ছতায় কষ্ট পায় তবুও এদের স্বার্থভাব কমে না , পরপুরুষের প্রতি সর্বদা আকৃষ্ট থাকে , ধর্মে কর্মে মত থাকে না । এরা নারী জাতির মধ্যে সর্বাপেক্ষা নীচ ।

পুরুষ জাতিও চার প্রকার : শশক,মৃগ,অশ্ব ও বৃষ । এই চার প্রকার পুরুষের স্বভাব উল্লেখিত প্রানির স্বভাবের মত হয়ে থাকে , এর বিস্তারিত আলোচনার দরকার নাই ।

বিবাহ করার জন্য পদ্মিনী নারী সর্বোত্তম, আবার শঙ্খিনী ও হস্তিনী জাতীয় নারীকে কন্ট্রোল করার জন্য অশ্ব ও বৃষ জাতীয় পুরুষ দরকার ।

নারী ও পুরুষ জাতি সম্পর্কে ফকির লালন শাহ বলেছেন , 

"চিন্তামণি পদ্মিনী নারী এরাই পতিসেবার অধিকারী।
হস্তিনী শঙ্খিনী নারী তারা কর্কশ ভাষায় কয় বচন।।
শশক পুরুষ সত্যবাদী মৃগপুরুষ উর্ধ্ধভেদী।
অশ্ব বৃষ বেহুশ নিরবধি তাদের কুকর্মেতে সদাই মন।।"

Wednesday, April 04, 2018

মৌনতা

তোমার মৌনতা ছুয়েছে আমাকে
তোমাকে কাছে না পাওয়াতে
তোমার কান্না স্পর্শী করে
প্রজাপতির ঝাপ্টানো ডানায়
তুমি শুনিতে কি পাও
আমি আজও কেঁদে ফিরি
আমি আজ মুকতায় মগ্ন
শুধুই তোমার মৌনতায়
আমাকে কথা বলতে দাও
বলতে দাও অব্যক্ততার সাথে
আলোর ঝর্নাধারার মত
যেমন পবিত্র ঘন্টাধ্বনি
তুমিতো মিশে আছো
আঁধারে মৌনতায় প্রকৃতিতে
তোমার অব্যক্ততা মিশে আছে
তারায় তারায় দুরে বহু দুরে
আমি মিশে আছি মৌনতায়
তুমি কি আমার হবে কখনো

Tuesday, April 03, 2018

তারা

যখন আমি তোমার
পানে চেয়ে থাকি
তখন মনে হয় আমি
পলকহীন হয়ে যাই
হে দুর বহু দুরের তারা
আপন দূতিকায় সমুজ্জ্বল
আমি জানি তুমি
হয়ত আজ কালের সাক্ষী
সেই শত সহস্র বছরের
ভরা যৌবনের আলো
এখন আমার চোখে
তুমি যেখানেই থাক
আমার কাছে দ্বীপ্তিময়

Sunday, January 14, 2018

কি চাও

ভালবাসার যত গুলো ফুল তোমার
মুঠোয় দিতে পারব তত গুলো ফুল
আজ পর্যন্ত এই ধরাধামে ফোটেনি
তবুও কি তুমি অভিমান ধরে রাখবে
প্রহরের অশ্রুত অপেক্ষায় দোলাবে
আমিতো মানুষ হতে চেয়েছিলাম শুধু
দু'দন্ড ভালবাসব শুধুই তোমাকে
কেন অপলকে চেয়ে থাক অমন করে
কেন বারবার কষ্ট দাও কথা না বলে
আমি মেঘ হয়ে ছায়া দেইনি বলে
না কি পাহাড় হয়ে বাধা দেইনি তাই
আমিতো আকাশ হতে চাইনা শুধু
মানুষ হতে চেয়েছি তোমার জন্য
শুধুই দন্ড ভালবাসা পাবার আশায়

Saturday, November 04, 2017

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (হাতে সময় থাকলে দুজনেই পড়ুন)

এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ?
উত্তরে জানায় ,
নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে ।
আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু ।
এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে,
চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।

সুত্রঃ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ,
পিজি হাঁসপাতালের গাইনি বিভাগের
অধ্যাপক।
তথ্যঃ Independent Tv