Sunday, March 27, 2016

ভালবাসি কথাটা হয়নি বলা

ভালোবাসা মানে কি কেবল স্ত্রীকে রাশি রাশি উপহার দেয়া, দামী রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া কিংবা এখানে-সেখানে ঘোরা প্রতিদিন? একদম কিন্তু নয়! এসব দিয়ে কিছু মেয়েকে খুশি করা যায় বটে, কিন্তু বেশিরভাগ মেয়েই খুশি হয়ে থাকেন একদম সাধারণ কিছু ভালোবাসায়। হয়তো আপনার কাছে সেটা খুবই আনরোমান্টিক বা মূল্যহীন, কিন্তু মেয়েদের কাছে বিষয়টির মূল্য অনেক বেশি।

জেনে নিন এমন কিছু কাজ সম্পর্কে, যেগুলো করার মাধ্যমে খুব সহজেই জিতে নিতে পারবেন আপনি পছন্দের মেয়েটির মন। এবং সহজে আর অন্য কোন পুরুষ স্থান করে নিতে পারবে না সেই মনে। আর হ্যাঁ, আপনাদের ভালোবাসা হয়ে উঠবে অনেক বেশি মজবুত ও সুন্দর।

চুম্বনটি হোক ভীষণ আন্তরিক :-
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন, চুমু তো আন্তরিকই হয়! চুমু খাওয়ার সময় তাঁর সুন্দর মুখটি নিজের দুহাতে কোমল করে ধরুন। আর অনেকটা সময় নরম করে তাকিয়ে থাকুন। দেখবেন, এই সামান্য জিনিসটি তিনি কি পছন্দই না করছেন। একটু লজ্জা পাচ্ছেন, আবার একটু খুশিও হচ্ছেন। নারীদের কাছে এই বিষয়টি খুব রোমান্টিক।

মাঝে মাঝেই তাঁর মাথায় হাত রাখুন :-
ভালোবাসা মানে শুধু তীব্র প্রেম আর দৈহিক আকর্ষণ নয়। একদম সাধারণ একটি স্পর্শও প্রকাশ করতে পারে গভীর ভালোবাসা। তাঁর মাথায় হাত রাখুন, কখনো চুলের মাঝে হাত বুলিয়ে দিন, মুখে চুল এসে পড়লে আলতো করে সরিয়ে দিন। আপনার এই ভালোবাসার ছোট্ট আচরণ তাঁর মনে তৈরি করে নেবে বিশাল একটি জায়গা।

তাঁকেও সুযোগ দিন আরাম করার :-
আপনার স্ত্রী নিশ্চয়ই সারাদিন কাজ করেন বাসায়? আর কর্মজীবী হয়ে থাকলে তো বাসা-অফিস মিলিয়ে তাঁর অবস্থা নিশ্চয়ই কাহিল! বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত। চেষ্টা করুন এটা-সেটায় তাঁকে একটু সাহায্য করতে। নিজে রাঁধতে না পারেন, মাঝে মাঝে ডিনারের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে না হয় বাইরে থেকেই খাবার কিনে আনুন। এই একটুখানি আদরে আপনি তাঁর কাছে পাবেন আন্তরিক সম্মান।

দুজনে বাইরে যাচ্ছেন - কি করবেন :-
হয়তো স্ত্রী খুব সেজেগুজে বের হয়েছেন আপনা সাথে বেড়াতে যাবেন বলে। হয়তো সাধারণত রিকশা বা বাসেই চলাচল করেন আপনারা। আজ নিয়ম ভেঙে একটি সিএনজি বা ট্যাক্সি ভাড়া করে ফেলুন। একটুখানি আরামে দুজনে পাশাপাশি উপভোগ করুন খানিকটা সময়। একটা দিন নাহয় তাঁকে বাস বা রিকশার যন্ত্রণা থেকে বাঁচিয়ে দিলেন।

ভিড়ের মাঝে আগলে রাখুন :-
প্রচণ্ড ভিড় হয়তো বাসে কিংবা মার্কেটে। হয়তো কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন বা সিনেমায় গেছেন, সেখানেও। এই ভিড়ের মাঝে ভালোবাসার নারীকে অবশ্যই একটু আগলে রাখুন। চেষ্টা করুন তাঁকে ঠেলাঠেলি থেকে রক্ষা করতে, হাতটা শক্ত করে ধরে রাখুন। কে কী ভাবল সেসব নিয়ে চিন্তা করবেন না। সে যেন বোঝে যে জীবনের সকল পরিস্থিতিতে আপনি তাঁর পাশেই আছেন।

সবসময় তাঁকে সুন্দর, পরিপাটি থাকার জন্য চাপ দেবেন না :-
হ্যাঁ, তিনিও মানুষ। সবসময় সুন্দর পোশাক পরে পরিপাটি থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। সবসময়ে একজন মানুষকে দেখতে ভালো দেখানো এক কথায় অসম্ভব। তিনি যখন নিজের সবচাইতে খারাপ পোশাকটি পরে আছেন, কিংবা যেদিন তাঁকে দেখতে সবচাইতে বাজে লাগছে, কিংব সাজসজ্জা বিহীন ঘুরতে বেরিয়েছেন- তখনও তাঁকে সুন্দর বলুন। মিথ্যা করে হলেও বলুন। এই ছোট্ট মিথ্যাই তাঁকে নিয়ে আসবে আপনার খুব কাছাকাছি।

ছোট্ট আদুরে জেদ করুন :-
এর অর্থ তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করা। কী রকম? যেমন ধরুন তাঁর চোখের কাজল আপনার খুব ভালো লাগে, কিংবা কপালের টিপটা। আদর করে জানিয়ে দিন- "তুমি কিন্তু টিপ না পরে বাইরে মোটেও যাবে না!" এই সামান্য ব্যাপারে তিনি যে কতটা খুশি হবেন আপনার ধারণাও নেই। জীবন একটাই। ভালো থাকুন, ভালো বাসুন।

ভুলবেন না ছোট্ট উপহার :-
তাঁকে অনেক কিছু কিনে দেয়ার সামর্থ্য নিশ্চয়ই আপনার আছে। কিন্তু সেসবের ভিড়ে ছোট্ট কিন্তু প্রিয় উপহার গুলোর কথা ভুলে যাবেন না। একটু ফুল, প্রিয় চকলেট, একটা গান, এক গুচ্ছ চুড়ি কিংবা এক পাতা টিপ- এসবের মাঝে যে রোমান্টিকতা আছে সেসব আসলে আর কিছুর মাঝে নেই।

Friday, March 25, 2016

যে চার বস্তু খুব দরকার

ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) এর অমূল্য বাণী:-

চার বস্তু শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
১. গোশত খাওয়া।
২.সুগন্ধির ঘ্রাণ নেওয়া।
৩. অধিক গোসল।
৪. সুতার কাপড় পরিধান করা।
.
চার বস্তু দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে
১. খানায়ে কা'বার সামনে বসা।
২. ঘুমানোর পূর্বে সুরমা ব্যবহার করা।
৩. সবুজ প্রকৃতি দেখা।
৪. পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় বসা।
.
চার বস্তু বিবেক বৃদ্ধি করে
১. অনর্থক কথা-বার্তা ত্যাগ করা।
২. দাত পরিস্কার রাখা।
৩. নেককারদের মজলিশে বসা।
৪. উলামাদের শংস্পর্শ অবলম্ভন করা।
.
চার বস্তু রিযিক বৃদ্ধি করে
১. নিয়মিত তাহাজ্জুদ।
২. অধিক পরিমাণ এস্তেগফার।
৩. অধিক পরিমাণ সদকা।
৪. অধিক পরিমাণ যিকির।

Saturday, February 06, 2016

স্বপ্নগুলো

স্বপ্ন কবে হারিয়েছে
পাইনা আজ আর খুজে
কি যে ছিল স্বপ্ন আমার
হাতড়ে বেড়াই তার খোঁজে

চাওয়া পাওয়া সেটাই বা কি
কি হয় তা পাওয়া গেলে
চাওয়ার হয়ত কিছু ছিল
পাওয়ার আশা কাকে বলে

জীবনের এই নিষপেশনে
হাতহদাইয়ে আর যাঁতাকলে
যাচ্ছে বয়ে সময় স্রোতে
ধুয়ে মুছে স্বপ্নগুলো কতকালে

আশায় আশায় বুক বেঁধে রই
হয়ত পাব অন্য দিনে অন্যখানে
হয়ত পাবে পরের জনম স্বপ্নগুলো
তখন কি আর থাকবে মনে

Friday, February 05, 2016

"Writing's On The Wall"

I've been here before
But always hit the floor
I've spent a lifetime running
And I always get away
But with you I'm feeling something
That makes me want to stay

I'm prepared for this
I never shoot to miss
But I feel like a storm is coming
If I'm gonna make it through the day
Then there's no more use in running
This is something I gotta face

If I risk it all
Could you break my fall?

[Chorus:]
How do I live? How do I breathe?
When you're not here I'm suffocating
I want to feel love, run through my blood
Tell me is this where I give it all up?
For you I have to risk it all
Cause the writing's on the wall

A million shards of glass
That haunt me from my past
As the stars begin to gather
And the light begins to fade
When all hope begins to shatter
Know that I won't be afraid

If I risk it all
Could you break my fall?

[Chorus:]
How do I live? How do I breathe?
When you're not here I'm suffocating
I want to feel love, run through my blood
Tell me is this where I give it all up?
For you I have to risk it all
Cause the writing's on the wall

The writing's on the wall

[Chorus:]
How do I live? How do I breathe?
When you're not here I'm suffocating
I want to feel love, run through my blood
Tell me is this where I give it all up?
How do I live? How do I breathe?
When you're not here I'm suffocating
I want to feel love, run through my blood
Tell me is this where I give it all up?
For you I have to risk it all
Cause the writing's on the wall

Sunday, December 27, 2015

একজন বাবা

একজন বাবা কাজের শেষে
দিনান্তে স্কুলের নোটিসবোর্ডে
আতিপাতি করে সল্প আলোয়
ঝাপসা চোখে সন্তানের রোল
খুজচ্ছেন উন্নীত হল কিনা?

একজন বাবা বাসায় ফিরে
দিনের ক্লান্তি ঢেকে সন্তানকে
পড়াতে বসান আসছে দিনের
কথাভেবে আসায় আসায়
ক্ষন গুনে যান অপেক্ষায়

একজন বাবা শিয়রে দাড়িয়ে
অসুস্থ সন্তানের মাথায় হাত
বুলিয়ে কত কথায় প্রবোধ
সন্তানের জন্য কত উদ্দেগ
কাউকে বুঝতে দেন না
তার কি নিজের কি চাওয়া

Tuesday, December 08, 2015

আমজনতার মঞ্চ


বাংলাদেশিরা বড্ডো বোকা। বোকারা গুইসাপ দেখলেই মা-পদ্মা বলে। উন্নতির নামে যে হৈচৈ করেছে বাকশাল স্টেট, একমাত্র জন্তুজানোয়ারদেরই অর্থনীতির খবর রাখার প্রয়োজন নেই। অর্থনীতিতে যে ধ্বস, ক্ষমতায় রাখার গ্যারান্টি দিয়ে যেভাবে লুটপাট করে যাচ্ছে বিদেশিরা, যেভাবে ভারতীয়দের জাহাজ নোঙর করতে শুরু করেছে... উন্নতির ডামাডোলে অন্তত আমাকে বোকা বানানো যাবে না। উন্নতির প্রমাণ থাকতে হবে পরিসংখ্যানে, ব্যক্তির মুখের কথায় নয়। একমাত্র জন্তুজানোয়ারদের দেশেই রাস্তাঘাটে মাইক আর বিলবোর্ড দিয়ে উন্নতি প্রচার করে মন্ত্রী-এমপিরা, অর্থনীতি সম্পর্কে যাদের শূন্য জ্ঞান। বিলবোর্ডে উন্নতি প্রচার একমাত্র জন্তুজানোয়ারদের কাজ। সুতরাং আমি নিশ্চিত যে, এই দেশের মানুষেরা এখনো গরু-গাধার সীমানা অতিক্রম করেনি। তাই প্রতিদিনই নিজের শোয়ার ঘরে আগুন দিয়ে আলুপোড়া খাচ্ছে।
প্রতিদিনই নতুন নতুন উন্নতির খবরে হাঁপিয়ে উঠেছি। ৩৫ বছরে আমেরিকাতে যতো উন্নতি, মনে হচ্ছে, এক বছরেই করে ফেলতে চায় বাংলাদেশ। আজ এই করবো, কাল সেই করবো, বিশ্বের ৩য় উঁচু ভবন হবে বাংলাদেশেই। শুধুই কি তাই? উঁচু ভবনকে ঘিরে তুলকালাম পরিকল্পনা যেন সত্যিই আমরা ধনী দেশ। অথচ বাস্তবে যা-তা। গণতন্ত্রের কবরের উপর জেগে উঠবে মেট্রোরেল, ৩য় উচ্চতম ভবন, পদ্মাসেতু, মুজিব স্যাটেলাইট, কর্ণফুলির তলে ট্যানেল, বাংলাদেশে চীনের সাবমেরিন ঘাঁটি ইত্যাদি।
৩য় বৃহত্তম উঁচু ভবনের সংবাদ ঘেটে চক্ষু চড়কগাছ। ইত্তেফাক সেটা ইচ্ছা করেই লুকিয়ে গেছে কারণ এখানেও দাদাদের গন্ধ। ইত্তেফাক লুকিয়ে গেছে ড. কালি প্রদীপ চৌধুরি নামক ব্যবসায়ীর কথা, যাকে এই ভবনটি তৈরির টোপ দিয়েছে অর্থমন্ত্রী। ইত্তেফাক লুকিয়ে গেছে, ১৬ বছর বয়সে কালিপদ ভারতে লেখাপড়া, এরপর মালয়েশিয়া হয়ে যুক্তরাষ্ট্র। কেন কালিপদর কথা লেখেনি? টাটার মতোই ভারতে এই লোকের বিশাল ব্যবসা। অতীতেও সাহারা গ্রুপ একই টোপ ফেলেছিলো। আসুন আমরা উন্নতির কবরে ঢুকে বাংলাদেশের শবের উপর দাঁড়িয়ে রক এণ্ড রোল পেটাই।

এবার ছেড়ে দে! কবরে বুড়াদে এক পা। এইসব বুড়াধুরাদের নিয়ে কেন টানাটানি? কেন ইস্রায়েল-ফিলিস্তিনের মতো রক্তপাত? ফাঁসি দিতে দিতে এমন কলংকমুক্ত করে ফেলেছে, সারা বিশ্বে ছিঃ ছিঃ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চোখে কিছুই পড়ে না। আলকাতরার মতো কালো কলংকে ঢেকে গেছে রাধা-রানীর গৌরবর্ণ দেহ। আমি বলবো, এইসব বলির পাঠাদেরকে ছেড়ে দে মা।
কালিপূজায় হিন্দুরা পাঠা বলি দেয়। বাংলাদেশেও স্বাধীনতা দিবসগুলোর আগে একটা করে পাঠা বলি। এবার আসিতেছে ১৬ ডিসেম্বরে পাঠা নিজামী। এদিকে মামা-ভাগ্নে কোম্পানির সিইও মুনতাসির মামুন বেজায় চটেছে। চটেছে ইমরান সরকারও। শাহারিয়ার কবির তো সব সময় চটেই থাকে। মনে হয় এরা পা উপরে মাথা নিচে, না হলে এইসব কথা কেউ বলে? সকলেই খারাপ, আমি একাই ভালো, এটাই এখন প্রচলিত বেদ।
মামা-ভাগ্নে কোম্পানির দাবি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক কাট। ওলামা, মাশায়েক আর পুলিশের দাবি, জাকের নায়েক জঙ্গি ছড়াচ্ছে পিস টিভি কাট। হাসিনার দাবি, জামায়েত জঙ্গি দল, নিবন্ধন কাট। আমি বলবো, ১০০ হাজার যুদ্ধাপরাধী সৈন্য আর ১৯৫ জন হিটলারকে বেকসুর খালাস দিয়ে সাকাদের ফাঁসির মধ্যে অবশ্যই বাংলাদেশকে কলঙ্কমুক্ত করার ন্যূনতম যুক্তি নেই। বরং বিরোধী নেতাদেরকে একটার পর একটা ফাঁসি। একথা এখন পরিষ্কার বলছে বিদেশিরাও। বিরোধীনেতাদেরকে ফাঁসি দিয়ে দেশটাকে উপনিবেশ বানানোর মাধ্যমে ৭৫এর মতোই আরেকবার আমৃত্যু ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা। জন্তুজানোয়ারেরা যত্রতত্র মল ত্যাগ করে, মানুষ করে নির্দিষ্ট জায়গায়। বলবো, পুঁজার আগে একটা করে বলির পাঠা না বোঝার মতো বোকা আমি নই।
বুদ্ধিহীনরা কথায় কথায় ন্যূনেমবার্গ ট্রায়ালের উদাহরণ দিচ্ছে কিন্তু মানুষগুলো এতো বেশি জন্তুজানোয়ার যে, উচিত জবাব দেয়ার মতো একটি কথাও বলতে শেখেনি। বিরোধীদল নয় বরং গাধাদের অভয়াশ্রম। নিরাপদে থাকতে হলে ২০ দলে যোগ দেও। আসল কথা, ন্যূরেমবার্গ নিয়ে বিশাল ধোকা। আমার সঙ্গে হাঁটুন। দেখুন, ২য় বিশ্বযুদ্ধে জাপান এবং ঠান্ডাযুদ্ধে কোরিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়ার উদাহরণ। ভিয়েতনামে দিনে ৫০০ টন বোমা ফেলতো নিক্সন। হিরোশিমা-নাগাসাকিতে বোমা মেরে আজো কলংকিত আমেরিকা। কোরিয়া ও কম্বোডিয়ায় কম্যুনিস্ট মেরে সাফ করে দিয়েছিলো আমেরিকা। আমেরিকার ঠান্ডাযুদ্ধ আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ একই সময়ের কথা।
এখও যদি বাংলাদেশিদের চোখ-কান না খোলে, বাকশালী স্টেটের মতো জঙ্গিবাদি দলের ষড়যন্ত্রে এই দেশ চলে যাবে অন্য দেশের হাতে। আব্বাস আর গাবগাছ এক নয়। লাল-সবুজ পতাকা হলেই বাংলাদেশ হয় না। তাকিয়ে দেখুন বাংলাদেশে আজ কাদের ভিড়? হিসাব করুন, কিহারে মুদ্রা নিয়ে যাচ্ছে ভারতীয়রা। বস্তায় বস্তায় সোনা আর ড্রামে ড্রামে ফেনসিডিল। সীমান্ত খুলে দেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বানিয়েছে ভারতীয় মাফিয়াদের জন্য আন্তর্জাতিক চোরাচালানের ঘাঁটি। আজ ভারতের ষড়যন্ত্রেই কথায় কথায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিহাদ। পাকিস্তান ৭১এ এই করেছে, ওই করছে, যেন গলাবাজি করে নিন্দা করলেই পুরষ্কার পাওয়া যাবে। তাই যে যতো জোরে পারছে, বলছে, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক কাট। আসলেই কি তাই?
২য় বিশ্বযুদ্ধ এবং ঠান্ডা যুদ্ধে আমেরিকার নিষ্ঠুর ভূমিকার পরেও- জাপান, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া কি আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক কাট করেছে? বন্দি যুদ্ধারপরাধীদেরকে নিজামী, সাকাদের মতো ঝটপট ফাঁসি দিয়েছে? নাকি ফেরত দিয়েছে? এছাড়াও রয়েছে মেন্ডেলার উদাহরণ, যে নাকি সবাইকে ক্ষমা করে দিয়ে সামনে তাকাতে বলেছিলেন। বরং আমি বলবো, পুঁিটমাছ দিয়ে যেমন কোরমা হয় না, একপয়সার বুদ্ধি দিয়ে রাষ্ট্র চালানো যায় না। তাকিয়ে দেখুন, জাপান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়ার দিকে। দেখুন, হোয়াইট হাউজের সঙ্গে তাদের কি সম্পর্ক। বরং সব জানার পর একটি কথাই বলবো, বাংলাদেশ নয়, যদি কারো কলংকমুক্ত হওয়ার প্রয়োজন থাকে, সেটা জাপান, ভিয়েতনাম, কোরিয়া। কারণ মার্কিনীরা ওইসব দেশগুলোতে বছরের পর বছর যুদ্ধ বাঁধিয়ে রেখে যে পরিমাণ গণহত্যা করেছিলো... সিনজো আবে অর্থাৎ জাপানের প্রধানমন্ত্রী নিজমুখে ওবামাকে বললেন, আমরা অতীত ভুলে যেতে চাই। মার্কিন প্রেসিডেন্টরাও ওইসব দেশে গেলে গোরস্তানে ফুল দেয়। অতীত ভুলে যাওয়ার মাধ্যমে সত্যি সত্যিই কলংকমুক্ত হয়েছে জাপান, ভিয়েতনাম...।
আরো একটি কথা। ন্যূরেমবার্গ ট্রায়াল আমার মুখস্ত। হিটলারের গণহত্যার জন্য চাক্ষুস সাক্ষির প্রয়োজন ছিলো না। দেশজুড়েই গণহত্যার বদ্ধভূমি। ইহুদিদেরকে নাৎসীরা যেভাবে হত্যা করেছে বরং ফাঁসি না দিলেই ভিকটিমদের প্রতি অবিচার করা হতো, যে প্রমাণ দিতে পারবে না বাংলাদেশ। সাজানো নাটক নিয়ে আর কতো বলবো! যারাই কলংকমুক্ত করার ঢোল পেটাচ্ছে, তারা বিরোধিদলকে নিশ্চিহ্ন করছে। গণহত্যার কোন রকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই গণহত্যা, গণহত্যা বলে চেঁচাচ্ছে। বড় বেশি বিরক্ত বোধ করছি। কলংকমুক্ত করতে গিয়ে এমন অবস্থা, বিদেশিরা এখন গার্মেন্টস শিল্প নিয়ে যাচ্ছে ভিয়েতনামে। আমি বলবো, পুঁজার সময় পাঠা বলি দেয়া বন্ধ করা হোক।

আমি মনে করি, যদি একটা দেশের সঙ্গেও সম্পর্ক কাট করতে হয়, সেটা চীন। চীন এমনই একটি জন্তু, যাকে কোনকিছু দিয়েই চেনা যাবে না। ৭১এ চীনের কোন ভেটো পাওয়ার না থাকায়, নিক্সনের হস্তক্ষেপে নিরাপত্তা পরিষদে সদস্য করার মাধ্যমে ৭১এর বিরুদ্ধে ভেটোর ব্যবস্থা করলো আমেরিকা। এরপর স্বাধীনতার প্রশ্ন এলেই ভেটো দিয়েছে চীন-আমেরিকা। যুদ্ধের সকল অস্ত্র সরবরাহ করেছে চীন। চীন অস্ত্র সরবরাহ না করলে, পাকিস্তানের সেই ক্ষমতা ছিলো না। নিউইয়র্কে চীনা দূতাবাসের ভেতরে অস্ত্র বিক্রির চুক্তি করতো পাকিস্তান-চীন-আমেরিকা। একমাত্র জন্তুজানোয়ারেরাই এইসব খবর রাখে না কিন্তু স্বাধীনতা স্বাধীনতা বলে চেঁচায়। ৭৪এর দুর্ভিক্ষের অন্যতম পার্টি চীন। গণবাহিনী, চীনাবাহিনী, মুজিববাহিনী সবগুলাকেই নকশাল পার্টি বানিয়েছিলো চীন। মুক্তিযুদ্ধ পছন্দ করেনি তাই এদের হাতে অস্ত্র এবং ট্রেনিং দিয়ে জনজীবনে নাভিশ্বাস তুলেছিলো চীন। মুজিব হত্যার পরোক্ষ পার্টিও চীন, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলো ১৬ আগষ্ট ১৯৭৫। আরো বলতে হবে?
এবার বলুন, বাংলাদেশকে কলংকমুক্ত করতে হলে কার সঙ্গে সম্পর্ক কাট করতে হবে? উল্টা চীনের পেটের ভিতরে ঢুকে গেছে বাংলাদেশ আর পাকিস্তানকে কাট? আমি এদেরকে জগৎশেঠ ছাড়া আর কিছুই বলবো না।

ওলামা মাশায়েক, পুলিশ নামের আলাল-দুলালদের আবদার এবার পিস্‌ টিভি বন্ধ করুন। কারণ? জাকের নায়েকের লেজে জঙ্গি খুঁজে পেয়েছে তাই লাগাও আগুন। খেয়ে ফেললো ইটিভি, আমার দেশ, দিগন্ত টিভি... এবার দখল করবে পিস্‌ টিভি। আসিতেছে এনটিভি এবং বাংলাভিশন। ফেইসবুক, ভাইবার, ট্যাংগো সবকটার লেজে আগুন দিয়েছে। সবাই খারাপ খালি আমিই ভালো। পিস্‌ টিভিতে জঙ্গি কিন্তু স্টারজলসায় মথুরা বৃন্দাবন। যেন ভারতীয় সিরিয়ালগুলো দেখে ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে চরিত্রবতী নারী এবং ধোয়া তুলসিপাতা পুরুষ। যেন ভারতীয় সিরিয়ালগুলোর কারণে একটার পর একটা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গণিকালয়। আমি বলবো, ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি। সবাই জঙ্গি একমাত্র বাকশালীস্টেট বাদে। সবাই খারাপ একমাত্র বাকশালীরা বাদে। সব টিভি বন্ধ, চলবে ভারতীয় চ্যানেল। জন্তুজানোয়ারদের জন্য টলয়েটের প্রয়োজন হয় না, হয় মানুষের জন্য।

প্রেক্ষাগৃহে আবার মুক্তি পাচ্ছে নিশা দেশাই। এতোবার ফ্লপ করেও এই নায়িকার শিক্ষা হলো না। হবে কেন? চিত্রপরিচালক ওবামার নেতৃত্বে সত্যিসত্যিই আমেরিকা একটি ভোতা দেশে। ভালো ছবি সম্পর্কে চিত্র পরিচালক ওবামার ন্যূনতম জ্ঞান নেই কিন্তু জোর করেই ছবি মুক্তি দেবে আর সঙ্গে সঙ্গে ফ্লপ। ওবামার নেতৃত্বে আমেরিকা সারা বিশ্বজুড়েই ফ্লপ। পিওন দিয়ে যেমন পোস্ট অফিস চলে না, সারেংগি শুনলে জঠরজ্বালাও মিটবে না। আবার মুক্তি পাচ্ছে নিশা দেশাই নামের দুইআনার মন্ত্রী ছবি। এরা যে কেন এতো বোকা হয়ে গেলো, মাথায় ধরে না। দেখেছি রেগ্যান, ক্লিন্টন, বুশের আমেরিকা। এই আমেরিকা এখন বাংলাদেশ। মন্ত্রী-এমপিরা কথা বলে বাংলাদেশের জন্তুজানোয়ারদের মতোই। যেমন কথার কোন মূল্য নেই, তেমনিই সারাক্ষণ একপক্ষকে লেজে আগুন দেয়া ছাড়া কাজ নেই। রিপাবলিকান আর বিএনপির একদশা। ডেমোক্রেট আর বাকশালীস্টেটের একরকম। দুইআনার মন্ত্রীরা আবারো লোক হাসাবে। এবার দুইআনার বদলে একআনা হবে। গোপালভাড় বেঁচে থাকলে লজ্জা পেতো। এই আমেরিকা অপরিচিত। বার্ণিকাট একটা কমেডিয়ান, গিবসন একটা জোকার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত আর ভোদাই জগা এক টাইপের। মার খাচ্ছে পশ্চিমারা। জিতে যাচ্ছে চীন, জাপান, রাশিয়া, ভারত। লোক হাসাতে আবারো আসছে নিশা দেশাই। আসল কথা, অতীতের আমেরিকা দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। এদেরকে ধরেছে আওয়ামী লীগের রোগে।

তুমুল প্রপাগান্ডর ঝড় তুলেছে বাকশালীস্টেট। এমন দিন নেই যখন একটি প্রপাগান্ডা নেই। এই হচ্ছে, সেই হচ্ছে, বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেকদিন কিভাবে এগিয়ে যাচ্ছে? বাংলাদেশে কি প্রত্যেকদিনই হাত-পা গজায় নাকি সাইজে মোটাতাজা হয়? দুঃখের কথা আর কতো বলবো? সত্যি সত্যিই পশ্চিমের স্বর্ণ দিন শেষ। তা না হলে কেউ কি হাসিনাকে চিন্তাবিদ বলে? তবে কুচিন্তাবিদদের তালিকায় রাখলে সাবাশ দিতাম।
একটি জাতির যে পরিমাণ সর্বনাশ করলো, পশ্চিমের পত্রিকাগুলোই সবচে’ বেশি লিখছে কিন্তু তারপরেও তাকে চিন্তাবিদের খেতাব দেয়ার অর্থ, পশ্চিমারা এখন গোপালভাড়। দেশ চলছে প্রপাগান্ডায়, সিকিমতত্ত্ব বাংলাদেশে, একটার পর একটা ভারতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান ঢুকে পড়ছে এই দেশে। জগৎশেঠরা বেজায় খুশি, উন্নতির গণসঙ্গীতের পাগলা গারদ, আমরা পড়েছি মহাপাগলদের খপ্পড়ে। বলুন, আমরা সবাই নারায়নগঞ্জের নূর হোসেন।

ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির মতো, দীর্ঘ ৬ বছর ষড়যন্ত্রের পর লেন্দুপ জর্দিকে ভরণপোষণ করে ভারতের পতাকায় সিকিমকে যোগ করে ছাড়লো ইন্দিরা। দিল্লির কুটকৌশল বোঝার মতো রাজনীতিবিদ নেই। যারাই পাকিস্তানী উপনিবেশের সমালোচনা করে অচিরেই দেখবে দিল্লির উপনিবেশের সাইজ কতো? মোদির রাজনীতি যারা বোঝে না, উচিত বনজঙ্গলে যাওয়া। সুজাতা সিং-কে দিয়ে কি করলো কংগ্রেস? এই দেশের নির্বাচনে উলঙ্গ হয়ে নেমে পড়েছিলো ভারতীয়রা। আমাদের সীমান্ত এখন তাদের, আমাদের রাজনীতিও তাদের। তাই যখন খুশি বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে মানুষ খুন করে চলে যায়। এই বছরে ২৪ জন খুন, ১১ মাসে ৫৬ জন। বিজেবির হাতে একজন ভারতীয়ও খুন না হওয়ার অর্থ কী? এর অর্থ কি দাঁড়ালো?
খবরে প্রকাশ, ইউরোপের রিফিউজি ক্যাম্পে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে বাংলাদেশিরা কিন্তু অবৈধ সরকার টু-শব্দটি করেনি। এবার দেখুন ভারতের বন্যায়, মোদিকে কি বাণী পাঠালো হাসিনা। ভারতের বন্যদূর্গতদের পাশে থাকার জন্য কান্নাকাটি করে মোদিকে চিঠি। ওই চিঠির ভাষা পড়ে আমি থ। অন্তত এর এক চিমটি সমবেদনাও পায়নি রিফিউজি ক্যাম্পের বাংলাদেশিরা। এর মানে হলো, লেন্দুপ জর্দি। লেন্দুপদের কাছে স্বদেশিরা মূল্যহীন, ভারতীয়রা মূল্যবান। কানে ধরে সবকিছু আদায় করে নিলো মোদিভাই। এখন আমাদের আকাশ-বাতাস, স্থলসীমাতে ওদের অবারিত প্রবেশ। যখন খুশি মানুষ খুন করে চলে যায়। বাংলাদেশিরা খুশি কারণ ক্ষমতা চিরন্তন। বাকশালীদের কলেরগান আর জয়হিন্দের জাতীয়গান্ত এক বাঁশিতে। যা বলছিলাম, একথা স্পষ্ট, ভারতে বন্যা হলে কান্নাকাটি করবো, সীমান্তের ভেতরে ঢুকে মানুষ মারলে চুপ থাকবো, প্রত্যুত্তরে কটি গুলিও করবো না। ১১ মাসে ৫৬ জন এবং এই বছর ২৪ জনকে হত্যার জন্য মোদিভাইকে পাঠাবো অভিনন্দনপত্র। সাবাশ বাকশালীদের বাংলাদেশ!

গণগ্রেফতারের সুফল নিয়ে আগেও লিখেছি, আবারো মনে করিয়ে দিচ্ছি। এছাড়া বিরোধীদলের আন্দোলন এগিয়ে নিতে বিকল্প পথ নেই। খালেদা জিয়ার থিংকট্যাংক এখন গুয়েরট্যাংক। রোগে, শোকে, বয়সে কাতর খালেদা। তার কাছ থেকে আশা করা ছেড়ে দিয়েছি। লন্ডনে ২ মাস পার করার পরেও পরিবর্তন নেই। একটার পর একটা ডান্ডা কিন্তু টু-শব্দটি নেই। খালেদা জিয়াকে লাইফ সাপোর্টে বাঁচিয়ে রেখে গেইম থিওরি খেলছে বাকশালীরা।
গেইম থিওরির অন্যতম, কৌশলে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করা। লক্ষ্য করুন, আমাদের সঙ্গিত, মিডিয়া, শিক্ষাঙ্গন, হাঁচি, বিষফোঁড়া, অশ্বরোগ, চুলকানি, বাসররাত... সবখানেই ৭১। ৭১ কি নূন যে, এছাড়া তরকারি হবে না? স্বাধীন হওয়া প্রতিটি দেশেই ৭১ হয়েছে কিন্তু একমাত্র বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোন দেশ অতীতে বাস করে। বাংলাদেশের পরে স্বাধীন হয়েছে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া কিন্তু কখনোই দেখিনি, এরা ঠান্ডাযুদ্ধ নিয়ে সারাক্ষণ নিজেদের মধ্যে প্যাঁচাল পারে আর যুদ্ধ করে। একমাত্র আমরাই সারাক্ষণ ৭১ নিয়ে যুদ্ধ করছি, করেই যাচ্ছি। ৭১এর অশেষ যুদ্ধ ৪৪ বছরেও শেষ হয়নি, বরং বাকশালীরা আমাদেরকে ৭১এই বন্দি রেখে পুঁজি কামাচ্ছে।
মাথা থেকে পা পর্যন্ত, চামড়ার ভেতরে এবং বাইরে, গণিকালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, টেলিভিশন থেকে বঙ্গভবন, সর্বত্রই ৭১ আর ৭১এর চিৎকার। এই চিৎকারের সঙ্গে সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে “ইমরান সরকার যাত্রাদল”, “মামা-ভাগ্নে নাটকের দল”, “ড. আনিসুজ্জামন র্যা প মিউজিক ব্যান্ড”... সবাই বলে ৭১, জোরছে বলো, ৭১।
আসল উদ্দেশ্য এইরকম। ৭১-কে ঘিরে যেসকল গোপন ষড়যন্ত্র হয়েছিলো আওয়ামী লীগের সঙ্গে, মানুষ যেন না জানতে পারে, সেইজন্য ৭১এর বোঝা চাপিয়ে দিয়ে জাতিকে সারাক্ষণ ব্যস্ত রাখা। ৭১ ছেড়ে ৭২, ৭৩ কিংবা ২০১৫ সনে পৌঁছে গেলে, এই জাতি জানতে চাইবে গোপন ষড়যন্ত্র। ফাঁস করে দেবে, পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করে বাংলাদেশ দখলের ষড়যন্ত্র। পাকিস্তানকে দুইখন্ড করে এখন যা হচ্ছে, এই পরিকল্পনা ৬৩ সনের আগারতলায়। ৭১এর বাইরে ঢুকতে দিলেই, শিশু সাবালক হবে। সাবালক হলেই জানতে চাইবে তার নাম, ঠিকানা, বংশপরিচয়। এই প্রশ্নের উত্তর সাবালকের বাবা-মা দিতে পারবে না। এর নাম গেইম থিওরি।

১০
আবারো রাষ্ট্রপতির সিঙ্গাপুর যাত্রা? আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। যে রাষ্ট্রপতি টুলে বসে ঈদের নামাজ পড়ে, সেই রাষ্ট্রপতি হেঁটে প্লেনে চড়লে আমার খুব কষ্ট হয়। দেশের রাজনীতিবিদরা কেউ দেশে চিকিৎসা করে না বলে আমার খুব কষ্ট হয়। চিকিৎসকদের উপর রাজনীতিবিদের ঘৃণা এবং অনাস্থা দেখে কষ্ট হয়। আবারো গরিবের টাকায় ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতি। আবারো নিজের দেশের ডাক্তারদের উপর অনাস্থা রাষ্ট্রপতির। আবারো দেশের মুদ্রা বিদেশি ডাক্তারদের হাতে তুলে দেয়া। আবারো গার্মেন্টস কর্মিদেরকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বলা, তোরা ট্রেড ইউনিয়ন করলে আমার খরচ যোগাবে কে? তোরা কাবাব না হলে, আমার চিকিৎসার জন্য বছরে লক্ষ লক্ষ ডলার যোগাবে কে? এই রাষ্ট্রপতি বছরে ৪ বার বিদেশ যায় চিকিৎসা নিতে। আমার সমস্যা, মুক্তিযুদ্ধ না করেই যারা মুক্তিযোদ্ধা। আমার লজ্জা, মুক্তিযুদ্ধে যারা পাকিস্তানীদের সঙ্গে আতাঁত করেছিলো, তারাই যখন মুক্তিযুদ্ধকে নিলাম করে এর জমিদারি কামাচ্ছে। আমার একটি প্রশ্ন, খেয়েদেয়ে এই দেশের রাষ্ট্রপতির কাজটা কি? পদেরই বা প্রয়োজন কি! বরং লক্ষ টাকার হাতি না পুষে একে বিলুপ্ত করা জরুরি।