ফজরের আজান আমাকে জানায়
আর একটা নেয়ামতময় দিন শুরু হল
জাগো ওঠ তোমার দিন শুরু কর।
জোহরের আজান আমাকে জানায়
আলোকিত দিনের অর্ধেক শেষ
বাকিটুকুর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার।
আসরের আজান আমাকে জানায়
দিনের কাজ শেষের পথে
অপেক্ষা কর মহিমাময় রাতের জন্য।
মাগরিবের আজান আমাকে জানায়
নেয়ামতময় দিনে কি পেলে আর
কি দিলে আর কি বাকি থেকে গেল।
এশার আজান আমাকে জানায়
মহিমাময় রাতকে কিভাবে আরও
মহিমাময় করা যায় তার জন্য অগ্রসর হতে।
আমি যেখানে থাকি সেখানে শোনাযায় আজান
আমার মত বল আর কে আছে সৌভাগ্যবান
আফসোস তার জন্য যে আজান শুনতে অপারগ
আমাকে যেন না যেতে হয় যেখানে আজান না হয়
Some people will think like you. Some people will never think like you. This is life. We are not same. This is reality. অনেকজন পাবেন যারা আপনার মত ভাবেন। আবার অনেকজন আপনার মত ভাবেন না। এটাই জীবন। আমরা কেউ এক রকম নই। এটাই বাস্তবতা।
Wednesday, March 11, 2015
আজান
Wednesday, March 04, 2015
হিসাব করে
আজ আমার মন ভাল নেই
আজ আর কথা নাই বলি
থাক না কিছু জমার খাতায়
থাক না কিছু বাকির খাতায়
আর কত দিন দিন গুনে
পথচলা পথেঘাটে চলতি পথে
সবকিছু কি হিসাব মানে
হিসাব দিয়ে হিসাব নিয়ে
মন চলে কি হিসাব করে
Monday, March 02, 2015
আসছে
কতদিন বল কতদিন
তোমাকে ছোঁয়ার জন্য
একটু আবেশ পাওয়ার
কখনও দিনগুলি বড়
কখনও রাতগুলি বড়
যখন অপেক্ষায় থাকি
ঘন্টার কাটা মিনিটের
হয়ে যায়, তুমি এলেই
এ কেমন অবিচার
দিনগুলি বড় হও
রাত আরো দীর্ঘ
আমার ভালবাসা আসছে
Location:
Bukit Bintang, Bukit Bintang
Sunday, June 01, 2014
অপেক্ষা
হয়ত এই ভালো
না ফেরার চাইতে
ভালো
অপেক্ষা
আসবে
ফিরে আসবে
পায়ের শব্দ
গায়ের গন্ধ ...
চেনা শ্বাস
বাড়িয়ে দিচ্ছি হাত
হাত ভর্তি অপেক্ষা
শূন্যতার চাইতে ভালো
Saturday, May 31, 2014
দেনমোহর স্ত্রীর বিশেষ অধিকার
মুসলিম আইন অনুযায়ী দেনমোহর বা মোহরানা হলো বিয়ের একটি অন্যতম শর্ত। এ শর্ত হিসেবে অর্থ বা সম্পত্তি স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে পাওয়ার অধিকারী। এটি স্ত্রীর এক প্রকার বিশেষ অধিকার এবং স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণস্বরূপ। দেনমোহর ২ ধরনের হয়। তাৎক্ষণিক এবং বিলম্বিত। তাৎক্ষণিক দেনমোহর চাওয়া মাত্র পরিশোধ করতে হয়। বিলম্বিত দেনমোহর বিবাহ পরবর্তী যে কোনো সময়ে পরিশোধ করলে চলে। তবে মৃত্যু বা বিবাহ বিচ্ছেদের পর এ দেনমোহর অবশ্যই পরিশোধযোগ্য। প্রচলিত ধারণা রয়েছে, তালাকের কারণে দেনমোহর দিতে হয়, কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। দেনমোহর বিয়ের শর্ত। তালাকের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। বিবাহিত অবস্থায় দেনমোহর পরিশোধ করা না হলে বিবাহ বিচ্ছেদের পর দেনমোহর পরিশোধের দাবি ওঠে। দেনমোহর স্বামীর ওপর আইনগত আরোপিত একটি দায়। এটি স্ত্রীর অধিকার সংরক্ষণের জন্য এবং স্ত্রীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেয়া হয়। দেনমোহরের কোনো সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। দেনমোহর বিয়ের সময় নির্ধারণ করা হয়। দেনমোহর বিয়ের পরও নির্ধারণ করা যায়। উপযুক্ত দেনমোহর নির্ধারিত হয় স্ত্রীর পারিবারিক অবস্থান, বংশ মর্যাদা, আর্থিক অবস্থা, ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা স্ত্রীর পরিবারের অন্য নারীদের ( যেমন- ফুফু,
বোন) দেনমোহরের পরিমাণ দেখে। দেনমোহর একবার নির্ধারিত হয়ে গেলে তার পরিমাণ কমানো যাবে না। তবে বিয়ের পরবর্তী সময়ে স্বামী ইচ্ছা করলে বাড়াতে পারে। দেনমোহর বিয়ের আগে, বিয়ের সময় বা বিয়ের পরও নির্ধারণ করা যায়। দেনমোহর ছাড়া বিয়ে হলে বিয়েটি বাতিল হবে না। তবে এ ক্ষেত্রে বিয়ের পর উপযুক্ত দেনমোহর দিতে হবে। যদি বিয়ের সময় দেনমোহর নির্ধারিত না হয়, এমনকি স্ত্রী কোনো দেনমোহর দাবি করবে না, এমন শর্তেও যদি বিয়ে সম্পাদিত হয়, তবুও স্ত্রীকে উপযুক্ত দেনমোহর দিতে হবে। অর্থাৎ কোনো শর্তই এ ক্ষেত্রে আইনে গ্রাহ্য হবে না। দেনমোহর দিতেই হবে। তাৎক্ষণিক দেনমোহর চাওয়ামাত্র পরিশোধ করতে হয়। কাজেই তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর আগেই স্ত্রী দেনমোহর দাবি করতে পারে এবং স্বামী তখন তাৎক্ষণিক দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য। যেহেতু দেনমোহর স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণ, তাই যে কোনো সময় স্ত্রী তা দাবি করতে পারে। যদি কোনো স্ত্রী স্বামীর কাছে তাৎক্ষণিক দেনমোহর চেয়ে না পায়, তবে সেই স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতে ও দাম্পত্য মিলনে অস্বীকৃতি জানাতে পারে। এমনকি সে পৃথক-আলাদা বসবাস করতে পারে এবং এ সময় স্বামী স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য থাকবে। প্রায়ই এমন ঘটনা দেখা যায় যে, স্ত্রী তার প্রাপ্য দেনমোহর থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বেশির ভাগ বঞ্চিত স্ত্রী অজ্ঞানতাবশত অথবা জানা সত্ত্বেও দেনমোহর আদায়ে উৎসাহী হয় না। কিন্তু স্বামী দেনমোহর দিতে অস্বীকার করলে স্ত্রী তা আদায়ের জন্য আদালতের শরণাপন্ন হতে পারে। তবে ২ ধরনের দেনমোহরের ক্ষেত্রে আদালতে আবেদন করার সময়সীমা ২ রকম। যেমন- তাৎক্ষণিক দেনমোহরের যে মুহূর্তে স্ত্রী দেনমোহর দাবি করবে এবং স্বামী তা দিতে অস্বীকার করবে, তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হবে। আর বিলম্বিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে যেহেতু এটা পরিশোধের কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া নেই, সেহেতু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক বা স্বামীর মৃত্যু হলে তার ৩ বছরের মোহরানার জন্য মামলা করতে হয়। তালাকের পর স্ত্রীকে পরিশোধযোগ্য দেনমোহর অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে এবং স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে হবে। দেনমোহরের সঙ্গে ভরণপোষণের কোনো সম্পর্ক নেই।
বিয়ের পর স্ত্রীর ভরণপোষণের যাবতীয় খরচ কোনোভাবেই দেনমোহরের অংশ বলে ধরে নেয়া যাবে না। তালাকের পর আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ৯০ দিন আইনানুযায়ী তালাক উচ্চারণের পর তালাক কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত যে ভরণপোষণ দিতে হয় তা দেনমোহরের অংশ হিসেবে পরিশোধ করা হচ্ছে বলে ধরা যাবে না। স্বামী স্ত্রীকে যে উপহার দেবে তা অবশ্যই দেনমোহর নয়। বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীকে অনেক কিছুই দিতে পারে। স্বামী যদি দেনমোহর হিসেবে স্ত্রীকে কিছু দেয়, তবেই তা দেনমোহর বলে বিবেচিত হবে। জমি হস্তান্তরের দলিলে ‘দেনমোহর বাবদ’ কথাটি লেখা না থাকলে এরূপ জমি দেনমোহর হিসেবে ধরা হবে না। স্বামীর মৃত্যুর পর দেনমোহর স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণ হিসেবে ধরা হবে। অন্যান্য ঋণের মতোই এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে, দাফন-কাফনের খরচ করার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে দেনমোহর ও অন্যান্য ঋণ পরিশোধ না করলে স্ত্রী স্বামীর উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে দেনমোহরের জন্য মামলা করতে পারবে। স্বামীর আগে স্ত্রীর মৃত্যু হলেও দেনমোহর দিতে হবে। স্ত্রীর উত্তরাধিকারীরা এ দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী। তারা দেনমোহর পাওয়ার জন্য মামলাও করতে পারে। দেনমোহর পরিশোধিত না হলে স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি বৈধভাবে দখলে রাখতে পারে। স্বামীর জীবদ্দশায় স্ত্রী তার সম্পত্তি দখলে রাখলে এবং স্বামীর মৃত্যুর পর দখলভোগ করতে থাকলে তার দখলটি আইনানুগ এবং বৈধ হবে। সে দখলকৃত সম্পত্তির খাজনা, লাভ বা আয় থেকে দেনমোহরের টাকা আদায় করতে পারবে। যদি দখলভোগী বিধবাকে অবৈধভাবে দখলভোগের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, তবে সে দখল উদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারবে। যদি স্ত্রী দখল নেয়ার আগে অন্য উত্তরাধিকারীরা দখলের দাবি করে বা দখল নেয়, তবে সে তাদের বঞ্চিত করে একা দখল দাবি করতে পারবে না। অন্য উত্তরাধিকারীদের হস্তক্ষেপের আগে যতটুকু তার দখলে ছিল, সে ততটুকু রাখতে পারবে। দেনমোহর সংক্রান্ত মামলাগুলো স্থানীয় সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হয়, যা ১৯৮৫ সাল থেকে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ অনুযায়ী পারিবারিক আদালত হিসেবে কাজ করছে। স্ত্রী যেখানে বসবাস করে, তিনি সেই এলাকার পারিবারিক আদালতে দেনমোহর সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতে পারেন।
বোন) দেনমোহরের পরিমাণ দেখে। দেনমোহর একবার নির্ধারিত হয়ে গেলে তার পরিমাণ কমানো যাবে না। তবে বিয়ের পরবর্তী সময়ে স্বামী ইচ্ছা করলে বাড়াতে পারে। দেনমোহর বিয়ের আগে, বিয়ের সময় বা বিয়ের পরও নির্ধারণ করা যায়। দেনমোহর ছাড়া বিয়ে হলে বিয়েটি বাতিল হবে না। তবে এ ক্ষেত্রে বিয়ের পর উপযুক্ত দেনমোহর দিতে হবে। যদি বিয়ের সময় দেনমোহর নির্ধারিত না হয়, এমনকি স্ত্রী কোনো দেনমোহর দাবি করবে না, এমন শর্তেও যদি বিয়ে সম্পাদিত হয়, তবুও স্ত্রীকে উপযুক্ত দেনমোহর দিতে হবে। অর্থাৎ কোনো শর্তই এ ক্ষেত্রে আইনে গ্রাহ্য হবে না। দেনমোহর দিতেই হবে। তাৎক্ষণিক দেনমোহর চাওয়ামাত্র পরিশোধ করতে হয়। কাজেই তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর আগেই স্ত্রী দেনমোহর দাবি করতে পারে এবং স্বামী তখন তাৎক্ষণিক দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য। যেহেতু দেনমোহর স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণ, তাই যে কোনো সময় স্ত্রী তা দাবি করতে পারে। যদি কোনো স্ত্রী স্বামীর কাছে তাৎক্ষণিক দেনমোহর চেয়ে না পায়, তবে সেই স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতে ও দাম্পত্য মিলনে অস্বীকৃতি জানাতে পারে। এমনকি সে পৃথক-আলাদা বসবাস করতে পারে এবং এ সময় স্বামী স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য থাকবে। প্রায়ই এমন ঘটনা দেখা যায় যে, স্ত্রী তার প্রাপ্য দেনমোহর থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বেশির ভাগ বঞ্চিত স্ত্রী অজ্ঞানতাবশত অথবা জানা সত্ত্বেও দেনমোহর আদায়ে উৎসাহী হয় না। কিন্তু স্বামী দেনমোহর দিতে অস্বীকার করলে স্ত্রী তা আদায়ের জন্য আদালতের শরণাপন্ন হতে পারে। তবে ২ ধরনের দেনমোহরের ক্ষেত্রে আদালতে আবেদন করার সময়সীমা ২ রকম। যেমন- তাৎক্ষণিক দেনমোহরের যে মুহূর্তে স্ত্রী দেনমোহর দাবি করবে এবং স্বামী তা দিতে অস্বীকার করবে, তখন থেকে ৩ বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হবে। আর বিলম্বিত দেনমোহরের ক্ষেত্রে যেহেতু এটা পরিশোধের কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া নেই, সেহেতু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক বা স্বামীর মৃত্যু হলে তার ৩ বছরের মোহরানার জন্য মামলা করতে হয়। তালাকের পর স্ত্রীকে পরিশোধযোগ্য দেনমোহর অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে এবং স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে হবে। দেনমোহরের সঙ্গে ভরণপোষণের কোনো সম্পর্ক নেই।
বিয়ের পর স্ত্রীর ভরণপোষণের যাবতীয় খরচ কোনোভাবেই দেনমোহরের অংশ বলে ধরে নেয়া যাবে না। তালাকের পর আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ ৯০ দিন আইনানুযায়ী তালাক উচ্চারণের পর তালাক কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত যে ভরণপোষণ দিতে হয় তা দেনমোহরের অংশ হিসেবে পরিশোধ করা হচ্ছে বলে ধরা যাবে না। স্বামী স্ত্রীকে যে উপহার দেবে তা অবশ্যই দেনমোহর নয়। বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীকে অনেক কিছুই দিতে পারে। স্বামী যদি দেনমোহর হিসেবে স্ত্রীকে কিছু দেয়, তবেই তা দেনমোহর বলে বিবেচিত হবে। জমি হস্তান্তরের দলিলে ‘দেনমোহর বাবদ’ কথাটি লেখা না থাকলে এরূপ জমি দেনমোহর হিসেবে ধরা হবে না। স্বামীর মৃত্যুর পর দেনমোহর স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণ হিসেবে ধরা হবে। অন্যান্য ঋণের মতোই এ ঋণ পরিশোধ করতে হবে, দাফন-কাফনের খরচ করার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি থেকে দেনমোহর ও অন্যান্য ঋণ পরিশোধ না করলে স্ত্রী স্বামীর উত্তরাধিকারীদের বিরুদ্ধে দেনমোহরের জন্য মামলা করতে পারবে। স্বামীর আগে স্ত্রীর মৃত্যু হলেও দেনমোহর দিতে হবে। স্ত্রীর উত্তরাধিকারীরা এ দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী। তারা দেনমোহর পাওয়ার জন্য মামলাও করতে পারে। দেনমোহর পরিশোধিত না হলে স্ত্রী মৃত স্বামীর সম্পত্তি বৈধভাবে দখলে রাখতে পারে। স্বামীর জীবদ্দশায় স্ত্রী তার সম্পত্তি দখলে রাখলে এবং স্বামীর মৃত্যুর পর দখলভোগ করতে থাকলে তার দখলটি আইনানুগ এবং বৈধ হবে। সে দখলকৃত সম্পত্তির খাজনা, লাভ বা আয় থেকে দেনমোহরের টাকা আদায় করতে পারবে। যদি দখলভোগী বিধবাকে অবৈধভাবে দখলভোগের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, তবে সে দখল উদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারবে। যদি স্ত্রী দখল নেয়ার আগে অন্য উত্তরাধিকারীরা দখলের দাবি করে বা দখল নেয়, তবে সে তাদের বঞ্চিত করে একা দখল দাবি করতে পারবে না। অন্য উত্তরাধিকারীদের হস্তক্ষেপের আগে যতটুকু তার দখলে ছিল, সে ততটুকু রাখতে পারবে। দেনমোহর সংক্রান্ত মামলাগুলো স্থানীয় সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হয়, যা ১৯৮৫ সাল থেকে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ অনুযায়ী পারিবারিক আদালত হিসেবে কাজ করছে। স্ত্রী যেখানে বসবাস করে, তিনি সেই এলাকার পারিবারিক আদালতে দেনমোহর সংক্রান্ত মামলা দায়ের করতে পারেন।
ডাকের অপেক্ষায়
এখনতো আর ডাকের অপেক্ষায়
থাকতে হয়না...
রঙ্গিন খামে নিজ হাতে
নকশা করা আবেগ মিশ্রিত
অপেক্ষার দিন ফুরিয়ে গেছে -
সাথে সুগভীর প্রেমও হয়তো!
কোনকিছু গভীর হতে
সময় লাগে যে...
কিন্তু না, এখন সময় নেই
মুহূর্তেই পেয়ে যাব
তোমার অনুভূতির স্পর্শ
থাকতে হয়না...
রঙ্গিন খামে নিজ হাতে
নকশা করা আবেগ মিশ্রিত
অপেক্ষার দিন ফুরিয়ে গেছে -
সাথে সুগভীর প্রেমও হয়তো!
কোনকিছু গভীর হতে
সময় লাগে যে...
কিন্তু না, এখন সময় নেই
মুহূর্তেই পেয়ে যাব
তোমার অনুভূতির স্পর্শ
তাঁতফুল
কোথায় যেন
বৃষ্টির ভার
বইতে না পেরে আকাশ
ভেঙে পড়ছে আরশিতে ..
সেইসব ওম ...
মাঝিরা নৌকো থেকে
খসে গেছে কবে ...
জানতেও পারিনি ...
সেইসব গাছ , যারা
মধু আর রেশমের লোভে
জোনাকি ছুঁয়েছিল একদিন ..
তারা কি এখনো ক্লোরোফিল বনে
ঘোরাঘুরি করে ?
ব-দ্বীপের দোহাই দিয়ে
সবুজ পাতার মধ্যমায়
তাঁতফুল খোঁজে ?
আঙটি পরায় ?
আলতা পরে পায়ে ?
নাকি অন্যরঙের প্রজাপতিতে
বসতি বানায় ..
আতুর পাখায় যাদের
কুসুম কুসুম ঘাম ..
নতুন নাম ...
অরণ্যের পরনে ...
বইতে না পেরে আকাশ
ভেঙে পড়ছে আরশিতে ..
সেইসব ওম ...
মাঝিরা নৌকো থেকে
খসে গেছে কবে ...
জানতেও পারিনি ...
সেইসব গাছ , যারা
মধু আর রেশমের লোভে
জোনাকি ছুঁয়েছিল একদিন ..
তারা কি এখনো ক্লোরোফিল বনে
ঘোরাঘুরি করে ?
ব-দ্বীপের দোহাই দিয়ে
সবুজ পাতার মধ্যমায়
তাঁতফুল খোঁজে ?
আঙটি পরায় ?
আলতা পরে পায়ে ?
নাকি অন্যরঙের প্রজাপতিতে
বসতি বানায় ..
আতুর পাখায় যাদের
কুসুম কুসুম ঘাম ..
নতুন নাম ...
অরণ্যের পরনে ...
Thursday, May 29, 2014
মগ্নতা
পান্ডূর রাজা বলেছিল-
"রমণী গাভির মত
তাতে পাপ স্পর্শ নেই"
-তুমিও রমণী আজ
স্পর্শে ভাঙ্গালে
আমার আপন...
মগ্নতা-
প্রতীক্ষার হৃদয় মেলে
প্রহর কাটাই,
তুমি পোড়াবে বলে
"রমণী গাভির মত
তাতে পাপ স্পর্শ নেই"
-তুমিও রমণী আজ
স্পর্শে ভাঙ্গালে
আমার আপন...
মগ্নতা-
প্রতীক্ষার হৃদয় মেলে
প্রহর কাটাই,
তুমি পোড়াবে বলে
অফবিট
এই ভর
সন্ধ্যে
তোমাকে পান করছি চুপিচুপি
ক্লাসিক থেকে উড়ছে
বিয়ারের অফবিট
বিশ্বাস করো আমি কেমন
অসম্পূর্ণ প্রেমের গন্ধ পাচ্ছি
ট্র্যাজেডি...
ইশারার লকগেট খুলে
এক বউ তিস্তাব্রিজ ...
তোমার জ্যামিতিক আঁচ
আমাকে পাচার করে দিচ্ছে
জোলামবৃত্তে ...
আমাকে আর খেলা দিও না ...
তোমাকে পান করছি চুপিচুপি
ক্লাসিক থেকে উড়ছে
বিয়ারের অফবিট
বিশ্বাস করো আমি কেমন
অসম্পূর্ণ প্রেমের গন্ধ পাচ্ছি
ট্র্যাজেডি...
ইশারার লকগেট খুলে
এক বউ তিস্তাব্রিজ ...
তোমার জ্যামিতিক আঁচ
আমাকে পাচার করে দিচ্ছে
জোলামবৃত্তে ...
আমাকে আর খেলা দিও না ...
Subscribe to:
Posts (Atom)